• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যানজট নিরসন ও সড়ক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কেরানীগঞ্জের ট্রাফিক পয়েন্ট পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কক্সবাজারের হ্নীলায় বৈচিত্র্য ও শান্তির বার্তা নিয়ে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক মেলা অনুষ্ঠিত গঙ্গাচড়ায় বেতগাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস আকস্মিক পরিদর্শন করলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হামিদুল ইসলাম ডিমলায় মাদক আসামির মুক্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা, আটক ৩৪ পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা খোকন ভূঁইয়ার নাসিরনগরে কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন: ৫০ হাজার টাকায় সালিশে ধামাচাপা, পরিবার পেল ৬ হাজার গঙ্গাচড়ায় ৮০টি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর সাজা ডোমারে শিক্ষানুরাগী আলহাজ আজিজার রহমানের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সপ্তম প্রজন্মের মিলনমেলা টেকনাফে দেড় লাখ ইয়াবাসহ তিন রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে অপরাধ দমনে ২৪ ঘণ্টা মাঠে সক্রিয় জেলা গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ

দুখ আর কানলে যায় না

আই জামান চমক, ঢাকা
শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

আমার আব্বার মুখে একটা গান বারবার শুনেছি—দুখ আর কানলে যায় না। এই সহজ অথচ গভীর কথাটি যেন জীবনের এক চরম সত্য। দুঃখ এলে তাকে বুকে চেপে কাঁদতে বসা অর্থহীন; বরং তাকে জয় করার জন্য কাজ করে যাওয়াই আসল।

আমার কাছে পিসির কীবোর্ডই প্রিয় সারথী। এই যান্ত্রিক বন্ধু আমাকে কখনও অভিযোগ জানায় না, বরং আমার সকল কাজের ভার নিঃশব্দে বহন করে চলে। আপনারা জানেন, কীবোর্ডে কাজ করতে অভ্যস্ত আমি। মোবাইলে সাধারণ একটি মেসেজ টাইপ করতে গেলেও হতাশ হই, কারণ তাতে সময়ও লাগে প্রচুর, আর ঠিকমতো লেখাও যায় না। গুগলের ভয়েস কীবোর্ড ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা আরও ভয়াবহ! সামান্য একটি শব্দ উচ্চারণ করলে ভুল হয়ে অন্য শব্দ উঠে আসে। যেমন, ‘তাল’ বললে ‘বাল’ আর ‘সুমির ভাই’ বললে ‘চুদির ভাই’ উঠে আসে। প্রযুক্তির এই স্বয়ংক্রিয় ভুলগুলো অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।

এই যে নতুন করে আমাদের পত্রিকাগুলো চালুর এক কঠিন যাত্রা, এতে আমি একেবারেই একা। তবে আমার আছে একদল প্রিয় প্রতিনিধি, যারা নিঃস্বার্থে আমাকে সংবাদ পাঠিয়ে সহযোগিতা করে চলেছেন। তাঁরা আমার ভাই, তাঁরা আমাকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটিকে। এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আমার বড় শক্তি।

খবরের এই বিশাল চাপ সামলাতে, নিউজগুলো ঠিক সময়ে গুছিয়ে আপডেট রাখার জন্য একজনকে নিয়োগ দিয়েছিলাম। কিন্তু তার দ্বারা কাজের চেয়ে অকাজই বেশি হচ্ছিল, যা আমার মূল্যবান সময় নষ্ট করে দিচ্ছিল। এই কারণে সেই নির্ভরতা থেকে আমাকে সরে আসতে হয়েছে। সর্বোচ্চ রকমের সুযোগ দেওয়ার পরেও-এমনি ভাইয়ের মত স্নেহ দিয়েও পারলাম না।  আগে কাজগুলোর জন্য নির্ভর থাকতাম আমার মায়ের পেটের ভাই ইউশা জামান এর উপর। তার সাথেও অফিশিয়াল আনঅফিশিয়াল বিচ্ছেদ হবার পর মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলাম। অতি আবেগ ই আমার অতি দুঃখের কারন। তাই বুঝে না বুঝেও ভুল মানুষকে প্রশ্রয় দেই। কাছে  ডাকি। ভালোবাসি। ভুল ফুল দিয়ে কাটিয়ে দেই এক সংসার। ভুল জন্মের দায়ে জঞ্জালের পৃথিবীতে কাটিয়ে দেই এক জীবন। অভিযোগ করি না।

সব মিলিয়ে যখন এমন একটা সংকটের সময় পার করছি, তখনই আবার আমার বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুলটি আহত হলো। এই আঘাতের ফলে আঙুলটি বর্তমানে অচল। ব্যাপারটা খুবই খারাপ হলেও এর চেয়েও খারাপ হলো—এই আঙুল বাদ দিয়ে কম্পিউটারের কীবোর্ড পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব। কীবোর্ডের মাধ্যমে আমার বহু কাজ হঠাৎই বন্ধ হয়ে গেল। এই চরম মুহূর্তেও আমি বিশ্বাস করি, “যা হয় ভালোর জন্য হয়।” হয়তো এই আঘাত আমাকে আরও সতর্ক করবে, আরও নতুন পথে চলতে শেখাবে। জীবনের কঠিন বাঁকে এই বিশ্বাসই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায়।

সবাই দোয়া করবেন।

-লেখক: কবি, সাংবাদিক, আবৃত্তিকার ও বাচিক শিল্পী


এরকম আরও সংবাদ