• সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মিঠাপুকুরে বিষাক্ত মদপানে চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুই ভাই আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার তারাগঞ্জে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি মহাব্বত আলী সাভার থেকে গ্রেফতার পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালানোর চেষ্টা, অবশেষে ২৫ বোতল এসকাফসহ ধরা পড়লেন কুড়িগ্রামের তরুণ সাধারণ থেকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির শীর্ষ নেতৃত্বে ফাইট ডিরেক্টর আরমান ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে প্রাণ হারালেন সুধীর চন্দ্র, স্বজনদের আহাজারি বীরগঞ্জে ১০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী জয়নাল গ্রেফতার বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত চারজন কারাগারে, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা জেলা পুলিশ সুপারদের ওপর ত্রিমুখী নজরদারি: গোয়েন্দা, স্বরাষ্ট্র ও পুলিশ সদর দপ্তর ডোমার কেতকীবাড়ীতে টাকা লেনদেনের দ্বন্দ্বে মারপিট, সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেফতার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সততার বার্তা নিয়ে পীরগাছা থানায় রংপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

সংবাদদাতা:
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


More News Of This Category