• শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পঞ্চগড়ে জুলাই শহীদ পরিবারে প্রতিমন্ত্রীর ভাতা ও কর্মসংস্থান: অনন্য রাজনৈতিক ও মানবিক নজির স্থাপন করলেন ফরহাদ হোসেন আজাদ পঞ্চগড়ে জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, করলেন চাকুরীর ব্যবস্থা ডোমারে টানটান উত্তেজনার নারী ফুটবল প্রীতি ম্যাচে ট্রাইবেকারে বগুড়া দলের জয় ঠাকুরগাঁওয়ে বসতঘর থেকে ৩৫৩ বোতল ফেনসিডিলসহ দম্পতি গ্রেফতার, নগদ টাকা উদ্ধার ডোমারে দিনব্যাপী হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা ও ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পন্ন ডোমারে উন্নত প্রযুক্তির সেবা নিয়ে মাদার ডেন্টাল কেয়ারের নতুন যাত্রার উদ্বোধন ডোমারে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদকসহ গ্রেফতার ১০, বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ডোমারে জোড়াবাড়ীতে এক অসহায় পরিবারের জমি দখলের চেস্টা কৃষকদের নিয়ে যে ভাবনা ভেবেছিলেন জিয়াউর রহমান, সেটাই বাস্তবায়ন করছেন তারেক রহমান ডোমারে মা ও দুই সন্তানসহ চারজনকে চাপা দেওয়া পলাতক ট্রাকচালক বগুড়ায় গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

সংবাদদাতা:
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


More News Of This Category