• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় ১১০ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় মাদক সিরাপ উদ্ধার ভারতে সাজাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন ৪৭ জন বাংলাদেশি নীলফামারী জেলা শিল্পকলা একাডেমী সম্মাননা প্রদান: গুণীজনদের সঙ্গে পুরস্কৃত ডোমার নাট্য সমিতি ও মাসুদ বিন আমিন সুমন কাউনিয়ায় ছেলেদের হাতাহাতির দৃশ্য দেখে বাবার করুণ মৃত্যু অবহেলিত বীরগঞ্জ-কাহারোলের উন্নয়ন ও বালু সংকট নিরসনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে এমপি আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর ফলপ্রসূ বৈঠক, জনমনে নতুন আশা রংপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পের ক্যানেলে দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে পোনা মাছ অবমুক্ত শার্শার বসতপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি শান্ত আটক দেবীগঞ্জের ১০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরম জনবল ও ওষুধ সংকট, মাত্র ৪ জন পরিদর্শিকায় চলছে সেবা কার্যক্রম এবং রোগীদের ভোগান্তি কেরানীগঞ্জে এক কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

সংবাদদাতা:
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


এরকম আরও সংবাদ