• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দিনাজপুরে শিশু নিহতের ঘটনায় প্রধান আসামি এসআরবি-১৩ এর অভিযানে গ্রেফতার গঙ্গাচড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, আগাম প্রস্তুতির ওপর জোর শার্শায় ৮০ পিস ইয়াবাসহ ডিবি পুলিশের হাতে এক মাদক কারবারি আটক ডোমারে টানটান উত্তেজনার মিনিবার ফুটবলে নাদিয়া ওয়ারিয়াস চ্যাম্পিয়ন বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের দৃষ্টি নন্দন প্রধান ফটক উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু বুড়িচংয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি সাভার থেকে গ্রেফতার গংগাচড়ায় শিক্ষক মারুফা আক্তার ময়নার আবেগঘন বিদায় ও প্রদীপ কুমার রায়কে বরণ গংগাচড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে দৈনিক সংবাদ দিগন্তের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

সংবাদদাতা:
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


এরকম আরও সংবাদ