• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে সাজাপ্রাপ্ত ও ধর্ষণ চেষ্টার মামলার দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার বীরগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ‘স্মৃতির শ্রদ্ধায় সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন কচাকাটার কেদার ইউনিয়নে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ডোমার জোড়াবাড়ীতে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত কচাকাটায় ‘আলোকিত বল্লভেরখাস’-এর নতুন কমিটি গঠন, ৬০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মরুর বুকে জিয়া গাছ: আরাফাতে কোটি হাজীদের ছায়া দেয় ঈদের ছুটিতেও বন্ধ হয়নি মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা: স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ কুড়িগ্রামের গোলেরহাটে উৎসবমুখর পরিবেশে ৭ হাজার মুসল্লির ঈদুল আযহার নামাজ আদায় বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর মতবিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত শিশু ধর্ষণ: নির্দোষের ফাঁসি এবং আমাদের আবেগী বিচার

থানা ব্যারাকে নারী কনস্টেবলকে পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণ সহকর্মীর

সংবাদদাতা:
বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন নারী কনস্টেবলকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই থানায় কর্মরত থাকা আরেক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ও ভুক্তভোগী নারী সহকর্মী। তারা দুজনই ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন। ওই থানার দ্বিতীয়তলার নারী ব্যারাকে ঢুকে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেন বলে পুরুষ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

এমনকি ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে গত পাঁচ মাস ধরে থানা ব্যারাকেই ওই নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য।

ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পুলিশ প্রশাসনের নজরে আসে। তবে এর আগে ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত কয়েকদিন ধরে ঘুরেও থানায় মামলা করতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ভুক্তভোগী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী কনস্টেবল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে গত ১৯ আগস্ট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে নারী কনস্টেবল উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্ত কনস্টেবল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে পেরে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। তিনি অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী উভয় পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেন। বর্তমানে এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।

জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, বাংলাদেশ পুলিশ একটি পেশাদার ও সুশৃঙ্খল বাহিনী। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা হয় এবং তদন্তসাপেক্ষে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


More News Of This Category