• বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে দঃ চিকনমাটি কর্ণময়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দূর্ধষ চুরি বীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পরিত্যক্ত ডাক্তারখানার মাঠ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ প্রশাসক ডোমারে রুফ ক্রপ কেয়ারের কৃষক মাঠ দিবস: ধান ও হাইব্রিড ভুট্টা চাষে আধুনিক প্রযুক্তির বার্তা ডোমারের বোড়াগাড়ীতে বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ তারের জঞ্জাল, আতঙ্কে শত শত পরিবার ডোমারে প্রশিকার ৯০ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ওসি হাবিবুল্লাহ বীরগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বীরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৬ ইঞ্চির প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টাকা তো দেবেই না, ধন্যবাদও দেবে না? সাবেক মন্ত্রী সামাদ আজাদ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বীরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, জালে ৩ ব্যবসায়ী পেশাদার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ডোমারে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের মানববন্ধন

থানা ব্যারাকে নারী কনস্টেবলকে পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণ সহকর্মীর

সংবাদদাতা:
বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন নারী কনস্টেবলকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই থানায় কর্মরত থাকা আরেক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ও ভুক্তভোগী নারী সহকর্মী। তারা দুজনই ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন। ওই থানার দ্বিতীয়তলার নারী ব্যারাকে ঢুকে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেন বলে পুরুষ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

এমনকি ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে গত পাঁচ মাস ধরে থানা ব্যারাকেই ওই নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য।

ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পুলিশ প্রশাসনের নজরে আসে। তবে এর আগে ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত কয়েকদিন ধরে ঘুরেও থানায় মামলা করতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ভুক্তভোগী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী কনস্টেবল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে গত ১৯ আগস্ট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে নারী কনস্টেবল উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্ত কনস্টেবল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে পেরে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। তিনি অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী উভয় পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেন। বর্তমানে এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।

জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, বাংলাদেশ পুলিশ একটি পেশাদার ও সুশৃঙ্খল বাহিনী। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা হয় এবং তদন্তসাপেক্ষে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


More News Of This Category