• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে উপজেলা ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় বীরগঞ্জে পৌর বিএনপির সভাপতি আমিরুল বাহারকে বিপুল সংবর্ধনা দিলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মাদারগঞ্জে মাখনের পর আসিফ বিল্লাহর ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, সাংগঠনিক ব্যবস্থার দাবি শার্শায় পুলিশের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম আটক শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলাম আটক ডোমার গোমনাতীতে শত্রুতার জেরে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের অভিযোগ ডোমারে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ভার্চুয়ালি শুভ উদ্বোধন শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী আটক ডিমলায় মাদক সেবনের অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার ডিমলায় প্রেসক্রিপশনকে পুঁজি করে স্টিকার বাণিজ্যের মাধ্যমে রোগীর পকেট কাটার অনৈতিক বাণিজ্য ও ১,০৫০ টাকার মাল্টিভিটামিনের অসংগতি

ডিমলায় মাদক সেবনের অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

রাহেনা বারী আয়না, স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী (ডিমলা)
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আইসিআরবিডি টোয়েন্টিফোর icrbd24: নীলফামারীর ডিমলা থানার চার কনস্টেবলকে একযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। মাদক সেবন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বরখাস্তের এই ঘটনাটি পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া সদস্যরা হলেন কনস্টেবল মো. রমজান আলী, কনস্টেবল মো. তালাত মাহমুদ, কনস্টেবল মো. শামীম ইসলাম এবং কনস্টেবল মো. মশিউল হক। তারা সবাই ডিমলা থানায় কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ মোড় এলাকার বাসিন্দা মোতাহার হোসেন সোহেলের বসতবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন উক্ত বাড়ির সামনে সন্দেহজনক কিছু মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করেন।
সন্দেহজনক পরিস্থিতি টের পেয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে ঘরটি ঘিরে ফেলেন। জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের ভেতরে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তড়িঘড়ি করে পালানোর চেষ্টা চালান। সে সময় উপস্থিত জনতা কনস্টেবল রমজান আলীকে সরাসরি শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
এই ঘটনার পর বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। অপর তিন কনস্টেবলও যে দীর্ঘদিন ধরে ওই নির্দিষ্ট স্থানে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন এবং মাদক সেবনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেই অভিযোগগুলোও স্থানীয়দের মাধ্যমে সামনে চলে আসে। পুলিশ সদস্যদের এমন বিতর্কিত ভূমিকার কথা ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়।
ঘটনাটির ব্যাপকতা ও স্থানীয়দের অসন্তোষের বিষয়টি দ্রুততম সময়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছায়। বিষয়টি জানার পর পরই জেলা পুলিশ সুপার কোনো প্রকার বিলম্ব না করে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত চার পুলিশ সদস্যকে ডিমলা থানা থেকে প্রত্যাহার করে নীলফামারী পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিমলা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি আদেশে চার কনস্টেবলকে তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এডিটর: আই জামান চমক। হোয়াটসএ্যাপ: 01718456839


এরকম আরও সংবাদ