• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নীলফামারীতে পিতা-পুত্র সংঘর্ষ: মামলা-পাল্টা মামলা, আহত বৃদ্ধের পক্ষে পুত্রবধূর সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা শুরু, দেশীয় ফল চাষে উৎসাহিত করতে গাছের চারা বিতরণ সিরাজদিখানে প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধন, সাইনবোর্ড ভাঙচুর গঙ্গাচড়ায় গ্রোয়িং বাঁধ রক্ষায় মানববন্ধন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি রংপুর জেলায় স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণে জননী প্রকল্পের অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ৬০৩ বোতল এস্কাফ ও ৮.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দেবীগঞ্জে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করে মানবিকতার বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বেতগাড়ীতে এডিপির সহায়তা বিতরণ দেবীগঞ্জের তালিমুল ইসলাম মডেল দাখিল মাদ্রাসায় বৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও নগদ অর্থ বিতরণ জনবান্ধব বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার, বোদায় বললেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

পঞ্চগড়ে তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা শুরু, দেশীয় ফল চাষে উৎসাহিত করতে গাছের চারা বিতরণ

রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র রিপোর্টার ( পঞ্চগড় )
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

“করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস” — এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা। দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোছাঃ শুকরিয়া পারভীন। পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সদর উপজেলা কৃষি অফিস যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করেছে।

ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন শেষে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং দেশীয় ফলের প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন। সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অর্জুন চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (উদ্যান) সুবোধ চন্দ্র রায় এবং সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী।

সভায় বক্তারা দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ফলের অন্তর্ভুক্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তারা জানান, প্রতিদিন অন্তত ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। দেশীয় ফলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সার্বিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বক্তারা আরও জানান, বাংলাদেশ প্রতিবছর আপেল, কমলা, আঙুর ও মাল্টাসহ বিভিন্ন ফল আমদানিতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে। দেশীয় ফল চাষে মনোযোগী হলে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব। একইসঙ্গে পূরণ হবে দেশের পুষ্টি চাহিদাও। প্রত্যেক নাগরিক যদি অন্তত একটি করে ফলজ গাছ রোপণ করেন, তাহলে দেশে ফলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মত দেন তারা।

মেলায় দর্শনার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়, যা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। মেলাটি আগামী তিন দিন চলবে এবং এতে স্থানীয় কৃষক, উদ্যোক্তা ও সাধারণ দর্শনার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।


More News Of This Category