• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রামে ৬০৩ বোতল এস্কাফ ও ৮.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দেবীগঞ্জে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করে মানবিকতার বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বেতগাড়ীতে এডিপির সহায়তা বিতরণ দেবীগঞ্জের তালিমুল ইসলাম মডেল দাখিল মাদ্রাসায় বৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও নগদ অর্থ বিতরণ জনবান্ধব বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার, বোদায় বললেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ স্বপ্ন বুনছে ঠাকুরগাঁওয়ের তরুণরা: ‘উজ্জীবন টেকপাথ’-এর হাত ধরে নতুন জীবনের পথে ১৫ তরুণ-তরুণী গংগাচড়ায় দাদন ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, হামলা-লুটপাটের অভিযোগ; বিচারের দাবিতে মানববন্ধন বেতগাড়ী হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফলাফল প্রকাশ ও এসএমসি তফসিল ঘোষণা বর্ষীয়ান সাংবাদিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিবের শোক বীরগঞ্জে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীর প্রাণহানি

খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল শুনানি ১০ নভেম্বর

সংবাদদাতা:
সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৪

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খালেদা জিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৩ নভেম্বর) এ বিষয়ে দুটি লিভ টু আপিলের ওপর শুনানির জন্য আগামী ১০ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো.রেজাউল হকের চেম্বার জজ আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিষয়টি আজ নিশ্চিত করেন আইনজীবী কায়সার কামাল।

এদিন দুপুরে হাইকোর্ট বিভাগেও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। তার অংশ হিসেবে নিজের খরচে পেপারবুক (মামলা বৃত্তান্ত) তৈরির আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট সে আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

এখন পেপারবুক তৈরি হলে আপিল শুনানি হবে। যদিও এ দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি।

এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের দাবি, বিএনপি চেয়ারপারসনের দণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। তারপরও আপিল শুনানি কেন? আমরা বলেছি, তিনি (খালেদা জিয়া) আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রাষ্ট্রপতি মওকুফ করেছেন। সেখানে ক্ষমার কথা আছে। খালেদা জিয়া ক্ষমার প্রতি বিশ্বাসী নন। তিনি অপরাধ করেননি। তিনি ক্ষমাও চাননি। তাই এটা আইনগতভাবে মোকাবিলা করতে আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

২০১৯ সালের ১৪ মার্চ আপিল বিভাগে দুটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছিলেন খালেদা জিয়া।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

পরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ওই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া আপিল করেন। একই বছরের ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের করা আবেদনে রুল দেন হাইকোর্ট।

সাজা বৃদ্ধিতে দুদকের আবেদনে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন।

এছাড়া পাঁচ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়া এবং ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের আপিল খারিজ করেন আদালত।

হাইকোর্টের ওই রায়ের আগের দিন ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান একটি রায় দেন। রায়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

পরে একই বছরের ১৮ নভেম্বর ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। যেটি এখন হাইকোর্টে বিচারাধীন। সেই আপিলের শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুতে হাইকোর্টের অনুমতি নেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।


More News Of This Category