• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পরিত্যক্ত ডাক্তারখানার মাঠ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ প্রশাসক ডোমারে রুফ ক্রপ কেয়ারের কৃষক মাঠ দিবস: ধান ও হাইব্রিড ভুট্টা চাষে আধুনিক প্রযুক্তির বার্তা ডোমারের বোড়াগাড়ীতে বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ তারের জঞ্জাল, আতঙ্কে শত শত পরিবার ডোমারে প্রশিকার ৯০ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ওসি হাবিবুল্লাহ বীরগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বীরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৬ ইঞ্চির প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টাকা তো দেবেই না, ধন্যবাদও দেবে না? সাবেক মন্ত্রী সামাদ আজাদ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বীরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, জালে ৩ ব্যবসায়ী পেশাদার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ডোমারে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের মানববন্ধন বই যার বন্ধু, সে কখনো একা নয়

আয়নাঘরের ওই চেয়ারে ইলেকট্রিক শক নয়, ঘোরানো হতো: চিফ প্রসিকিউটর

সংবাদদাতা:
শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আয়নাঘরের চেয়ারটি শক দেওয়ার জন্য নয়, সেখানে কাউকে বসিয়ে ঘোরানো হতো বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আয়নাঘরের টর্চার কেন্দ্রের অনেক আলামত নষ্ট করা হয়েছে, কিছু আলামত সংগ্রহ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আয়নাঘর সম্পর্কে তাজুল ইসলাম বলেন, গত ১৫ বছর ধরে সাবেক সরকার সিস্টেমেটিক পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ভিন্ন মতকে দমন করার জন্য, গোপনে বন্দি ও গোপনে নির্যাতন যে একটি সংস্কৃতিতে পরিণত করেছিল, সেটা উন্মোচিত হয়েছে। যে বীভৎসতার চিত্র দেখেছি, তা কল্পনা করা যায় না। আমরা দেখেছি এই নির্যাতন কেন্দ্রের আলামত বিনষ্ট করা হয়েছে। যেখানে ঝোলানো হতো, সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। যারা নির্যাতন কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল, আমরা তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে চাই।

বিচার সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিচার তাদের নিজস্ব আইনে করা যায় কি না, এমন কথা উঠছে। সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩, সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। আইনটির সব আইনের ওপরে বিশেষ মর্যাদা আছে। এই আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে যেসব অপরাধ আছে তার বিচার করা যায়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর আইনে, র‍্যাব, বিজিবির কোনো আইনে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি ও কমান্ড রেসপনসিবিলিটির বিচার এসব আইনে করার সুযোগ নেই। সুতরাং বাহিনীর মধ্যে থেকে যারা এসব অপরাধ করেছেন, তাদের বিচার করার উপযুক্ত ফোরাম হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে আমরা রাষ্ট্রকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলবো–নির্দ্বিধায় আদালতের আদেশগুলো তারা যেন পালন করেন। সব বাহিনী, সব ব্যক্তিকে বলবো বিচারব্যবস্থায় সাহায্য করা আপনাদের দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কখনো রাষ্ট্র ও জনগণের ওপরে হতে পারে না। কোনো ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। আমি অনুরোধ করবো সরকার যেন জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিষয়টি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে দলগতভাবে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সেই অপরাধে দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আমাদের আইনে আছে। সে ক্ষেত্রে দলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করা বা অভিযোগ নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। সেটি ভবিষ্যতে করা হবে কি না, আমরা এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে অভিযোগ তথ্য-প্রমাণাদি এখনো পর্যন্ত বিদ্যমান আছে। প্রয়োজন হলে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।


More News Of This Category