নীলফামারীর ডোমারে শিক্ষক হুমায়ুন কবিরের পিতা নিজাম উদ্দিন আহমেদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক মহল, রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
সোমবার ২৭ জুলাই রাত ১১টায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি ডোমার পৌর এলাকার কলেজপাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত দারাজ উদ্দিনের দ্বিতীয় পুত্র। একইসাথে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির ও শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের পিতা।
মঙ্গলবার দুপুর ২টায় ডোমার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ঈদগাহের পাশের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। নিজাম উদ্দিন আহমেদের শেষ বিদায়ে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। জানাজায় ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান সুমন, উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি এনামুল হক চৌধুরী মানিক, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাবু, সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি মায়েদুল হক বসুনিয়া তুর্য, সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক উৎপল, সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলাম মানিকসহ এলাকার হাজারো সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জীবদ্দশায় তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি চাকরিতে যোগদান করেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ২০০০ সালে অবসর গ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে, সাতজন নাতি-নাতনি এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজার নামাজ ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন ডোমার পূর্ব কলেজপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা ক্বারী আবু জাফর। দাফন কাজ শেষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের ছোট ছেলে শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম তার বাবার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে উপস্থিত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চান।