দীর্ঘ অপেক্ষা আর টানাপোড়েনের গল্পের পর সাত বছরের প্রেম গিয়ে থামল জজ কোর্টের এফিডেভিটে। রংপুর সদর উপজেলার সঞ্জয় কুমার সরকার ও গঙ্গাচড়া উপজেলার অর্পিতা রানী রায় পালিয়ে এসে আইনি স্বীকৃতির মাধ্যমে পরিণয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রংপুর জজ কোর্টে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
সঞ্জয় কুমার সরকার (২৩) সদর উপজেলার খলেয়া ইউনিয়নের উত্তর খলেয়া মোল্লাপাড়ার মুকুল চন্দ্র সরকারের ছেলে। অপরদিকে অর্পিতা রানী রায় (১৯) গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের নাইয়াপাড়ার নির্মল সরকারের কন্যা। আদালতে দেওয়া এফিডেভিটে দু’জনই জানিয়েছেন তারা স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে এবং হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিবাহে আবদ্ধ হয়েছেন।
বিয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক জবানবন্দিতে অর্পিতা জানান, নিজের ইচ্ছাতেই তিনি সঞ্জয়কে বিয়ে করেছেন। পাশাপাশি স্বামীর পরিবার যেন কোনো ধরনের আইনি হয়রানির শিকার না হন—পরিবারকে এমন বার্তাও দিয়েছেন তিনি।
এদিকে অর্পিতার মা গঙ্গাচড়া মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে বিট অফিসার এসআই (নিরস্ত্র) ইসহাক আলী বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্পিতাকে পাননি। তিনি বলেন, “তারা দু’জনই প্রাপ্তবয়স্ক। অর্পিতাকে পাওয়া গেলে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। না পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে এই প্রেমিক যুগলের সাহসী সিদ্ধান্ত,সমাজের বাধা পেরিয়ে আইনের আশ্রয়ে একসঙ্গে নতুন জীবনের পথে যাত্রা।