আলোচিত মুদি ব্যবসায়ী মোতালেব হাজি হত্যাকাণ্ডের ২২ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো কূলকিনারা না হওয়ায় এবং পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবার।
২৫ অক্টোবর দুপুরে শহরের নিউমার্কেটস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নিহতের ছেলে নীরব রহমান সাজিব লিখিত বক্তব্যে বলেন, তাঁর বাবার সাথে প্রধান সন্দেহভাজন চন্দন তেওয়ারী ঠাকুর ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে। এর সাথে জড়িত বিমল হরিজন, মুক্তা, ও জনি নামে চারজন সরাসরি জড়িত বলে তাঁরা মনে করছেন। তিনি ধারণা করেন, এই চারজনকে আটক করলেই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য বের হয়ে আসবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাঁর বাবার মৃতদেহের বুকে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং যে ডোবায় লাশ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে হরিজন পল্লির মূল গেট ছাড়া প্রবেশ করা সম্ভব নয়। নীরব রহমান সাজিব অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছেলে সাজিবসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) যুবাইদুল আলম জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন আছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।