পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মারেয়া বামনহাট ইউনিয়নের পূর্ব মুসলিমপুর এলাকার বাসিন্দা আজিজুল হকের ছেলে মো. তৈয়েবুর রহমান পেশায় একজন বাদাম ব্যবসায়ী। সম্প্রতি লেনদেনসংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে জানান।
২৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন আইডিতে প্রচারিত এক ভিডিওতে তৈয়েবুর রহমান অভিযোগ করেন, তিনি সাবেক বোদা উপজেলা চেয়ারম্যান ও পঞ্চগড়-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. সফিউল আলম (শফিউল্লাহ সুফি)-এর কাছ থেকে এক লাখ টাকার পণ্য ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও বাকি ৬০ হাজার টাকা পরিশোধের সময়সীমা পরে নির্ধারণ করা হয়।
অভিযোগে তৈয়েবুর রহমান দাবি করেন, সুফি তার কাছ থেকে এক লাখ টাকার একটি ফাঁকা চেক নেন এবং পরে সেটিতে পাঁচ লাখ টাকা লিখে তাঁর (তৈয়েবুরের) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন। তবে তিনি ওই ঘটনার কোনো প্রমাণপত্র বা লিখিত চুক্তি প্রকাশ করেননি।
এ বিষয়ে ২৫ অক্টোবর নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মো. সফিউল আলম (শফিউল্লাহ সুফি) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তৈয়েবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি আমার নামে যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। আমি এই মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” তিনি আরও জানান, “ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।”
স্থানীয় সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তি জানান, নির্বাচনী উত্তাপের সময় এমন ভিডিও প্রকাশ করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।