• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে প্রশিকার ৯০ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ওসি হাবিবুল্লাহ বীরগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বীরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৬ ইঞ্চির প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টাকা তো দেবেই না, ধন্যবাদও দেবে না? সাবেক মন্ত্রী সামাদ আজাদ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বীরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, জালে ৩ ব্যবসায়ী পেশাদার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ডোমারে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের মানববন্ধন বই যার বন্ধু, সে কখনো একা নয় খেলার মাঠ উন্মুক্তের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, ডিসিকে স্মারকলিপি লালমনিরহাটের গণধর্ষণ মামলার আসামি রংপুরে গ্রেফতার দেবীগঞ্জে লাভজনক ফসলের খোঁজে চিয়া সিড চাষ শুরু করলেন কৃষক খোরশেদ আলম

কৃষকের ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, হুমকি ও ৪০ হাজার টাকার ক্ষতির দাবি

লালন সরকার। দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়
শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় এক কৃষকের ফসলি জমি জোরপূর্বক দখল এবং ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। দেবীগঞ্জের মালচন্ডী বাগান পাড়া এলাকার কৃষক মোঃ মোতালেব হোসেন (৩০) লিখিত অভিযোগে সোনাহার পশ্চিম মুন্সিপাড়া এলাকার সাতজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।

অভিযুক্তরা হলেন, মোঃ ফজল হক (সুমন), মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ আমজাত হোসেন, মোঃ জহুরুল ইসলাম, মোঃ হালিম, আব্দুল আলিম এবং মোঃ রমজান আলী। সকলেই মোঃ একাব্বর হোসেনের পুত্র বলে জানা গেছে।

কৃষক মোতালেব হোসেন অভিযোগ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজ ভোগদখলীয় জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। গত ১০ অক্টোবর তিনি ওই জমিতে আলুর বীজ রোপণ করেন এবং বীজ থেকে অঙ্কুরও গজাতে শুরু করে। কিন্তু গত ১৭ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তার জমিতে ট্রাক্টর নিয়ে ঢুকে জোরপূর্বক হালচাষ শুরু করে।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা তাকে জমি ছাড়ার জন্য ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তাদের এই হামলায় আলুর বীজ নষ্ট হয়ে প্রায় ৪০,০০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তিনজন ব্যক্তি—মোঃ ফরহাদ আলী, মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং মোঃ জসীম উদ্দীন। তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

কৃষক মোতালেব হোসেন আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছেন না। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. একাব্বর হোসেনের ছেলে মো. ফজল হক (সুমন)-এর সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি, ফলে তার কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার ছোট ভাই অভিযুক্ত মোঃ হালিম মোবাইল ফোনে জানান, ‘জমি নিয়ে কিছু দ্বন্দ্ব হয়েছে, তবে আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি সরকারি খাস চরের জমি। সেখানে কী হয়েছে, তা সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ওসি’র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


More News Of This Category