চায়ের উৎপাদনে খ্যাত পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে চা পরিবহনের ঘটনা বাড়ছে। কারখানা মালিকরা ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতির পরিবর্তে এখন বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসকে নিরাপদ পরিবহন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন। তবে এসব বুকিংয়ের অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রের ঘাটতি, যা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি দেবীগঞ্জে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের একটি এজেন্সিতে এমনই এক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পপুলার টি ফ্যাক্টরির ১২ বস্তা চা বুকিং করা হয়, প্রতিটি বস্তায় ছিল ৫০ কেজি করে চা। তবে বুকিংয়ের সময় কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করা হয়নি।
বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে কুরিয়ার অফিসে গিয়ে চায়ের বস্তাগুলো দেখা যায়। সেসময় এজেন্সিতে দায়িত্বে থাকা কর্মচারী মামুনের কাছে কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সেটি গোপনীয় তথ্য বলে এড়িয়ে যান। পরবর্তীতে এজেন্সি প্রতিনিধি মো. মিলন জানান, পরে ডেকে কাগজপত্র দেখানো হবে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেনকে অবহিত করা হলে তিনি মুঠোফোনে কুরিয়ার এজেন্সির প্রতিনিধিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শনের নির্দেশ দেন।
স্থানীয়দের দাবি, কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহারের আড়ালে যেন অবৈধ চা পাচার না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও তৎপর হওয়া প্রয়োজন।