নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় একই রাতে তিনটি সেচপাম্প চুরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের হরিহরা গ্রামে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, হরিহরা গ্রামের বর্গাচাষী হারুন ইসলাম ঐ এলাকায় ৫ হর্সের দুটি এবং ৩ হর্সের একটি মোট তিনটি সেচপাম্প স্থাপন করে নিজের জমি সহ অন্যের জমিতে পানি সরবরাহ করতেন, যার আনুমানিক মূল্য ৯০ হাজার টাকা। গত ২ অক্টোবর রাতে জমিতে পানি দিয়ে হারুন বাড়ি চলে যান। পরদিন ৩ অক্টোবর সকালে সেচপাম্পের ঘর খুলে তিনি দেখেন, তিনটি সেচপাম্পই চুরি হয়ে গেছে।
চুরির কারণে এলাকার শত শত একর জমিতে লাগানো ধানের রোপা নষ্ট হওয়ার পথে। এই সময় জমিতে সেচের পানি দিতে না পারলে কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা। বর্তমানে ধানে ফুল ধরা শুরু হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পানি না পেলে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
কৃষক হারুন অনেক খোঁজাখুঁজির পর লোক মারফতে ফোন কলের মাধ্যমে চোর চক্রের সন্ধান পান। সেই ফোনের কলের সূত্র ধরে কৌশলে গত ৬ অক্টোবর পশ্চিম হরিণচড়া এলাকার আল আমিনের ছেলে মনোয়ার হোসেন (৩১) কে আটক করে এলাকাবাসী থানায় সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে হারুন বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত মনোয়ারসহ খয়বর আলীর ছেলে ইব্রাহীম এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনের বিরুদ্ধে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ডোমার থানার পুলিশ মনোয়ারকে জেলার বিজ্ঞ আদালতে পাঠালে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। চোর চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।