ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ভূমি দস্যু আবু তালেব ভানু ও তার দলবলের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম জসিয়ার রহমান ফরিদ, যিনি পশ্চিম ভোগডাবুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ৬ বটিয়া পাড়া গ্রামে।
শিক্ষক ফরিদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তার মা জবেদা খাতুন ১৯৭২ সালে ১০ হাজার ৬ শত ৫৭ নম্বর দলিল মূলে জয়েন উদ্দিনের কাছ থেকে ৭ শতক জমি কিনেছিলেন। উত্তরসূরি হিসেবে শিক্ষক ফরিদ দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে বাঁশঝাড় লাগিয়ে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু স্থানীয় আবু তালেব ভানু নিজের বলে জমিটি দখলের পাঁয়তারা করে আসছিলেন।
সোমবার (৮ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষক ফরিদ বিদ্যালয়ে থাকার সুযোগে আবু তালেব ভানু, তার ছেলে নুরনবী, আব্দুর রহিম, জামাই সুমনসহ একদল লোক লাঠি, শোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে হাজির হয়। তারা জোর করে বাঁশ কেটে ঘর তৈরির চেষ্টা করে। এ সময় ফরিদের স্ত্রী পারুল আক্তার বাধা দিতে গেলে তাকে মারতে আসে দুর্বৃত্তরা। জীবন বাঁচাতে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাদেকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি জানান, চেয়ারম্যান ঢাকা থেকে ফিরলে বিষয়টি নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হবে। স্থানীয় এলাকাবাসীও জানান, জমিটি ফরিদ মাস্টারের।
শিক্ষক জসিয়ার রহমান ফরিদের পরিবার এখন তাদের পৈতৃক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে। তারা এই ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।