• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাকা ধানে মই দিলে ফসল মেলে না: ফলাফল শূন্য হওয়ার আগেই থামা উচিত দিনাজপুরে বাবা-সৎভাই হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে দুই ভাই গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার নাশকতা চেষ্টা ও সরকার উৎখাতের মামলায় পঞ্চগড়ের সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী কারাগারে অবুঝ মেয়েটার জন্য না খেয়ে কাঁদছেন মা, বুকফাটা আর্তনাদ পঞ্চগড়ের নুর আলমের ডোমারে ২০ বোতল অবৈধ এস্কাপ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ের সেফ হাসপাতালে দীর্ঘ ১৪ মাস পর ১৩৪ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল প্রদান দীঘিনালায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার, দ্রুত তদন্তের নির্দেশ ডোমারে পুত্রবধূ হত্যা মামলার পলাতক আসামি শ্বশুর চিলাহাটি থেকে গ্রেফতার দেবীগঞ্জে ঢেঁড়সের বীজ উৎপাদন ও চিনাবাদামের উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

কাহারোলে পুনর্ভবা নদীর মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ ( দিনাজপুর )
সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ-কাহারোল সীমান্তবর্তী কাঁঠালবাড়ি এলাকায় পুনর্ভবা নদী থেকে অবৈধভাবে সরকারি মাটি ও বালু কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি সিন্ডিকেট গত প্রায় ৪০ দিন ধরে লাখ লাখ ঘনফুট মাটি ও বালু বিক্রি করে আসছে, যা দিয়ে একটি নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজ ভরাট করা হচ্ছে।

গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বলেয়া বাজার ব্রিজের কাছে সুমাইয়া ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুকের প্রতিনিধি নয়ন রায় একটি খননযন্ত্র (ভেকু) ব্যবহার করে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বালু ও মাটি বিক্রি করছেন। প্রতিটি ট্রাক্টরের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে।

এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও ট্রাক্টর চালকেরা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ট্রলি সরকারি মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এই পাচারকৃত সম্পদের বেশিরভাগই দলুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন একটি কোল্ড স্টোরেজ ভরাটের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

তবে নির্মাণাধীন দেওয়ানবাড়ি কোল্ড স্টোরেজের স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, তারা প্রতি ট্রলি মাটি ও বালু ৭০০ টাকা করে স্থানীয় লাবু ও আরিফের কাছ থেকে কিনেছেন। এগুলি বৈধ না অবৈধ, তা তাদের জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মূল অভিযুক্ত ওমর ফারুক জানান, তিনি একা নন, কাহারোল বিএনপির বড় বড় নেতারাও এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিলামে ২৮ নম্বর লট ইজারা নিয়েছিলেন, কিন্তু যথাসময়ে মাটি ও বালু অপসারণ করতে পারেননি। তাই এখন সবাই মিলেমিশে এই কাজ চালাচ্ছেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদনও করা আছে।

কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোখলেদা বেগম মিম বলেন, “আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”


More News Of This Category