• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে প্রশিকার ৯০ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ওসি হাবিবুল্লাহ বীরগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বীরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৬ ইঞ্চির প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টাকা তো দেবেই না, ধন্যবাদও দেবে না? সাবেক মন্ত্রী সামাদ আজাদ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বীরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, জালে ৩ ব্যবসায়ী পেশাদার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ডোমারে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের মানববন্ধন বই যার বন্ধু, সে কখনো একা নয় খেলার মাঠ উন্মুক্তের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, ডিসিকে স্মারকলিপি লালমনিরহাটের গণধর্ষণ মামলার আসামি রংপুরে গ্রেফতার দেবীগঞ্জে লাভজনক ফসলের খোঁজে চিয়া সিড চাষ শুরু করলেন কৃষক খোরশেদ আলম

কাহারোলে পুনর্ভবা নদীর মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ ( দিনাজপুর )
সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ-কাহারোল সীমান্তবর্তী কাঁঠালবাড়ি এলাকায় পুনর্ভবা নদী থেকে অবৈধভাবে সরকারি মাটি ও বালু কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি সিন্ডিকেট গত প্রায় ৪০ দিন ধরে লাখ লাখ ঘনফুট মাটি ও বালু বিক্রি করে আসছে, যা দিয়ে একটি নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজ ভরাট করা হচ্ছে।

গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বলেয়া বাজার ব্রিজের কাছে সুমাইয়া ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুকের প্রতিনিধি নয়ন রায় একটি খননযন্ত্র (ভেকু) ব্যবহার করে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বালু ও মাটি বিক্রি করছেন। প্রতিটি ট্রাক্টরের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে।

এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও ট্রাক্টর চালকেরা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ট্রলি সরকারি মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এই পাচারকৃত সম্পদের বেশিরভাগই দলুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন একটি কোল্ড স্টোরেজ ভরাটের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

তবে নির্মাণাধীন দেওয়ানবাড়ি কোল্ড স্টোরেজের স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, তারা প্রতি ট্রলি মাটি ও বালু ৭০০ টাকা করে স্থানীয় লাবু ও আরিফের কাছ থেকে কিনেছেন। এগুলি বৈধ না অবৈধ, তা তাদের জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মূল অভিযুক্ত ওমর ফারুক জানান, তিনি একা নন, কাহারোল বিএনপির বড় বড় নেতারাও এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিলামে ২৮ নম্বর লট ইজারা নিয়েছিলেন, কিন্তু যথাসময়ে মাটি ও বালু অপসারণ করতে পারেননি। তাই এখন সবাই মিলেমিশে এই কাজ চালাচ্ছেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদনও করা আছে।

কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোখলেদা বেগম মিম বলেন, “আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”


More News Of This Category