নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানটি শালকী নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় শ্মশান ঘাটের মাটি ধসে যাচ্ছে, যা সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
শ্মশানের পাশে শক্ত গাঠনিক দেয়াল থাকা সত্ত্বেও, কোনো প্রকার মাটি বা বস্তা দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা না করায় শ্মশানটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। যদিও ডোমার পৌরসভা থেকে কিছু অর্থ বরাদ্দ পাওয়ায় মূল ফটক এবং বাউন্ডারি দেয়ালের কাজ চলছে, কিন্তু নদীর ভাঙন রোধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
কমিটির সাবেক সভাপতি রামনিবাস আগরওয়ালা জানান, বিগত দিনে জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। শ্মশান কমিটির সভাপতি শেখর সাহা বলেন, “এটি আমাদের উপজেলার কেন্দ্রীয় শ্মশান, যেখানে আমরা দাহ, পূজা-পাঠ এবং অর্চনা করে থাকি। আর দু-একদিন বৃষ্টি হলেই নদী ভাঙনে শ্মশানটি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যেতে পারে।”
সম্প্রতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসন শায়লা সাঈদ তন্বী শ্মশানটি পরিদর্শন করেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা এই ঐতিহ্যবাহী শ্মশানটিকে নদীর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।