মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত কৃষ্ণা রানীর স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর স্বামীর ৪০ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ৬ জুলাই ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভিকটিমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন কৌশলে বিষাক্ত পদার্থ স্যালাইন বা ইনজেকশনের মাধ্যমে তার শরীরে প্রবেশ করিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর নিহতের পিতা বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া থানায় হত্যা মামলা নং- ০৮/২২১, তারিখ- ০৭/০৭/২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচিত হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১৩ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে তৎপরতা চালায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ রাত ১০টা ৫ মিনিটে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ এর একটি বিশেষ দল নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম দলিরাম গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি কমল চন্দ্র অধিকারী (২৮), পিতা মনোরঞ্জন চন্দ্র অধিকারী, সাং মনাকষা, থানা-গঙ্গাচড়া, জেলা-রংপুর কে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সংবাদ নিশ্চিত করেন।