রংপুর সদর উপজেলার ২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের গোকুলপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের ডালিয়া রোডস্থ ইয়াছিনের বাড়ি থেকে সুরুজের বাড়ি পর্যন্ত সলিং এর কাজটি নিম্নমানের ইট দিয়ে করায় এলাকাবাসীর বাধা এ নিয়ে শুরু হয় গ্রামে তোলপাড় স্থানীয় লোকদের অভিযোগ দীর্ঘ বছর পর আমাদের রাস্তাটি সরকার করে দিচ্ছে আর সেই রাস্তার কাজ ঠিকাদাররা নিম্নমানের ইট দিয়ে করতেছে আমরা গ্রামের লোক বাধা দিলে এক পর্যায়ে এক টলি ইট ঠিকাদার ফেরত পাঠান স্থানীয় লোকেরা আরো জানান এক টলি বালু দিয়ে কিভাবে একটা রাস্তার কাজ তারা সম্পূর্ণ করে, আমরা জানি মিনিমাম ১০-১২ টলি হলে তাহলে রাস্তাটি করা সম্ভব কিন্তু তারা এক টলি বালু দিয়ে কিভাবে রাস্তাটি সম্পূর্ণ করলো আমরা জানিনা এই রাস্তা ৬ মাসও টিকবে না আমরা চাই এই তিন নম্বর ইট দিয়ে রাস্তা না করে এক নম্বর ইট দিয়ে যেন রাস্তাটি করে দেন। এ ব্যাপারে ঠিকেদারের সঙ্গে কথা বললে তিনি যে তিন নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করতেছেন তা স্বীকার করেন তিনি বলেন এক টলি ইট ফেরত পাঠাইছি কালকে সকালে আবারো ইট তুলে এক নম্বার ইট দিয়ে রাস্তার কাজটি করে দিব
পরে একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করতে চান ঐ ঠিকাদার সাংবাদিক ম্যানেজ না হলে পরে চায়ের অফার করেন। তার এই চায়ের অফারে সাংবাদিক বলেন না ভাই চা আমি আপনাকে খাওয়াবো। পরে তিনি চা খেয়ে চলে যান তিনি বলেন কালকে সকালে ভালো ইট দিয়ে কাজ করবো আপনারা কালকে সকালে আসিয়েন দেখিয়েন এক নম্বার ইট দিয়ে কাজ করি কিনা তার কথামতো সাংবাদিক পরের দিন সকালে সেই রাস্তার কাজ দেখতে গেলে স্থানীয় লোকেরা জানান রাতের আঁধারে রাস্তাটি তারা করেছে আমরা নিজেও জানিনা সকালে দেখি রাস্তা কমপ্লিট। এদিকে সাংবাদিকদের স্থানীয়রা বাসিন্দারা বলেন তারা যে রাতের আঁধারে তিন নাম্বার ইট দিয়ে রাস্তাটি সম্পন্ন করেছেন, আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকতার কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি এই ইট যেন সম্পূর্ণ উঠিয়ে নিয়ে এক নম্বর ইট দিয়ে করে দেন।
এ বিষয়ে রংপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন যদি রাস্তার কাজটি খারাপ করে সেটি আমরা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো
রংপুর সদর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার বলেন রাতের আধারে কিভাবে রাস্তার কাজ হয় বিষয়টা আপনার কাছ থেকে জানলাম নিম্নমানের ইট দিয়ে যদি রাস্তার কাজটি করে থাকে
আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো বলে আশ্বাস দেন।