ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লিতে দুই দিনব্যাপী ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এ তীর্থোৎসবে এবার প্রায় অর্ধলক্ষাধিক তীর্থযাত্রী অংশ নেন। প্রার্থনা, মানত পূর্ণ করা, পাপস্বীকার ও নিশিজাগরণসহ নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন ক্যাথলিক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।ভারত সীমান্তসংলগ্ন বারোমারী ধর্মপল্লিতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয় এ উৎসব। প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয় পাপস্বীকার, পবিত্র খ্রিস্টযাগ, আলোকশোভাযাত্রা, সংক্রান্তের আরাধনা ও নিরাময় অনুষ্ঠান। শুক্রবার সকালে জীবন্ত ক্রুশের পথ অতিক্রম ও মহা খ্রিস্টযাগের মধ্য দিয়ে তীর্থোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।বারোমারী ধর্মপল্লির ফাদার তরুণ বনোয়ারী বলেন, “বৃহস্পতিবার বিকেলে পাপস্বীকারের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রথম দিনের উৎসব। পরে খ্রিস্টযাগ, আলোকশোভাযাত্রা, সংক্রান্তের আরাধনা, নিশিজাগরণ ও নিরাময় অনুষ্ঠান হয়। শুক্রবার সকালে জীবন্ত ক্রুশের পথ ও মহা খ্রিস্টযাগের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।”নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল এই মহৎ আয়োজনের নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সংক্রান্তের অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”