গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ১৩ বছরের এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাব-১৩ এর প্রশংসনীয় ও দ্রুত পদক্ষেপের ফলে প্রধান আসামি ধরা পড়ল। শনিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে র্যাব-১৩ (সিপিসি-৩) গাইবান্ধা এবং র্যাব-৪ (সিপিসি-২) সাভার ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল তাকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামির নাম মো. সজিব মিয়া। তার বয়স ২০ বছর। তার স্থায়ী ঠিকানা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রাম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাড়া-প্রতিবেশী হওয়ায় সজিব মিয়ার সাথে ভিকটিমের মোবাইলে কথোপকথন চলতো। এর ধারাবাহিকতায় গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যায় এবং পরদিন গভীর রাতে সে কৌশলে ভিকটিমকে সুন্দরগঞ্জের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে প্রধান আসামিসহ অন্যান্যরা ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫)-এর ৯(৩) ধারায় দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। প্রযুক্তিগত সহায়তা ও তথ্যভিত্তিক অভিযানের মাধ্যমে অবশেষে আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকা থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।
গ্রেফতারের পর আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, অপহরণসহ সকল অপরাধ দমনে র্যাব দৃঢ়ভাবে কাজ করছে এবং তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।