• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত গংগাচড়ায় হেরোইন-ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে এক বাংলাদেশি আটক, পাসপোর্ট আইনে মামলা গঙ্গাচড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, এইচএসসি পরীক্ষার্থীর প্রাণহানি গঙ্গাচড়ায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে যুবসমাজের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাকা ধানে মই দিলে ফসল মেলে না: ফলাফল শূন্য হওয়ার আগেই থামা উচিত দিনাজপুরে বাবা-সৎভাই হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে দুই ভাই গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার নাশকতা চেষ্টা ও সরকার উৎখাতের মামলায় পঞ্চগড়ের সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী কারাগারে অবুঝ মেয়েটার জন্য না খেয়ে কাঁদছেন মা, বুকফাটা আর্তনাদ পঞ্চগড়ের নুর আলমের

স্কুলছাত্র আয়াজ হত্যা মামলায় দুই আসামির সাজা কমলো

সংবাদদাতা:
সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫

এক দশকের বেশি সময় আগে প্রীতি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংগঠিত ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র আয়াজ হক হত্যা মামলায় দুই আসামির সাজা কমিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

এর মধ্যে ইনজামামুন ইসলাম ওরফে জিসানকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড থেকে ১২ বছর এবং তৌহিদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন থেকে ১০ বছর করা হয়েছে।

বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলের ওপর রোববার (১৬ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একই বেঞ্চ রায়ের জন্য ১৬ মার্চ দিন ধার্য করেন। তারই ধারাবাহিকতায় এই রায় দেন আদালত।

আদালতে জিসানের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার শুনানিতে ছিলেন। রায়ের বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দুই আসামি আপিল করেছিলেন।। তাদের দুজনের সাজা কমেছে। বাকিরা আপিল করেনি।

এর আগে ওই মামলায় ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত রায় দেন। আসামিরা তখন সিটি কলেজের ছাত্র ছিলেন। রায়ে ইনজামামুল ইসলাম ওরফে জিসানকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তৌহিদুল ইসলাম, মশিউর রহমান, আবু সালেহ মো. নাসিম ও আরিফ হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জিসান ও তৌহিদুল ২০২১ সালে পৃথক আপিল করেন। আপিলের ওপর গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৯ জুন সিটি কলেজের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও খরচ বাবদ টাকা তোলার বিষয় নিয়ে আয়াজের বড় ভাই সিটি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আশদিন হকের সঙ্গে আসামিদের কথা-কাটাকাটি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে ওই দিন বিকেলে ধানমন্ডি থানার জিগাতলায় যাত্রী ছাউনির কাছে আয়াজকে একা পেয়ে আসামিরা ছুরিকাঘাত করেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার বাবা আইনজীবী শহীদুল হক ২০১৪ সালের ৯ জুন ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। ২০১৫ সালের ১৩ মে ধানমন্ডি থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক এসআই সাহিদুল বিশ্বাস আদালতে অভিযোগপত্র দেন।


More News Of This Category