• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ডোমারে হোন্ডা শাহিন উৎসব ও জোড়াবাড়ীতে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত শুভ জন্মদিন: এবিএম সোহেল রশিদ গঙ্গাচড়ার বেতগাড়ীতে উম্মুক্ত লটারিতে ১০ নারী কর্মী নিয়োগ, দায়িত্ব পালন করবেন ৫ বছর দিনাজপুরের বীরগঞ্জে পল্লী চিকিৎসককে পথরোধ করে মারপিট ও অপহরনের চেষ্টা, থানায় লিখিত অভিযোগ নীলফামারীর জলঢাকার চাঞ্চল্যকর প্রাণহানি মামলার চার আসামিকে ঢাকায় গ্রেপ্তার করল এসআরবি নারী কর্মী নিয়োগের লটারি বিতর্কের জেরে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় প্রকৌশলী স্ট্যান্ড রিলিজ রংপুর সিটি প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: পুনরায় সভাপতি স্বপন চৌধুরী ও সম্পাদক হুমায়ুন কবীর মানিক ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নীলফামারীতে এসআরবি-১৩’র অভিযান: ৮ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১৭০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ গাইবান্ধায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক গ্রেফতার

নীলফামারীর জলঢাকার চাঞ্চল্যকর প্রাণহানি মামলার চার আসামিকে ঢাকায় গ্রেপ্তার করল এসআরবি

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম) রংপুর
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

আইসিআরবিডি টোয়েন্টিফোর icrbd24: নীলফামারীর জলঢাকায় চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মকবুল হোসেন প্রাণহানির মামলার এজাহারনামীয় চার আসামিকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এলিট ফোর্স স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগরীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার পূর্ব বালাগ্রাম আদর্শপাড়ার মামলার দুই নম্বর আসামি মতিয়ার রহমান, তিন নম্বর আসামি রফিফুল ইসলাম, নয় নম্বর আসামি রাসেল এবং দশ নম্বর আসামি মিজান।

এসআরবি সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে মকবুল হোসেন প্রতিপক্ষের সংঘাতে গুরুতর আহত হন। স্বজনেরা তাকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একুশ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

এই ঘটনায় নিহতের ভাই মহির উদ্দিন বাদী হয়ে জলঢাকা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি জলঢাকা থানার একুশ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। এসআরবি আরও জানায়, এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর একই মামলার চার নম্বর আসামি আনারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এসআরবি গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-২, এসআরবি-১৩, নীলফামারী এবং সিপিএসসি, এসআরবি-১০, ঢাকার একটি যৌথ আভিযানিক দল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় অভিযান চালিয়ে দ্রুততার সাথে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়, যা তাদের তৎপরতা ও পেশাদারিত্বের এক পরিমিত নিদর্শন।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই বিষয়ে এসআরবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এডিটর: আই জামান চমক। হোয়াটসঅ্যাপ: 01718456839


এরকম আরও সংবাদ