আইসিআরবিডি টোয়েন্টিফোর icrbd24: নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় দেহ ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় শ্যামল শর্মা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডোমার থানা পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন দ্রুত পদক্ষেপ ও তৎপরতা অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সোমবার রাতে উপজেলার নীলাহাটি শ্মশানঘাট এলাকায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর স্ত্রী শাহনাজ বেগম এবং ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শালমারা শেওটগাড়ী এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রশীদ।
স্থানীয়দের দাবি, দেহ ব্যবসা পরিচালনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় এই বিরোধের সৃষ্টি হয়।
নিহতের ভাই কৃষ্ণ শর্মা জানান, মঙ্গলবার রাতে শ্যামল ও হাফিজ নামে দুই ব্যক্তি তাঁর বড় ভাই শ্যামল শর্মাকে ফোন করে নীলাহাটি শ্মশানঘাটে নিয়ে যান।
সেখানে যাওয়ার পর কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের বাগবিতর্ক সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে আব্দুর রশীদ, শ্যামল, হাফিজসহ অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন নিহতের ভাই এবং তিনি আরও জানান, মারধরের পর তাঁর ভাই অচেতন হয়ে পড়েন।
পরে মোবাইল ফোনে বাড়িতে সংবাদ দিলে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর ভাইয়ের রক্তক্ষরণ দেখতে পান।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শ্যামল শর্মা উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শুসেন শীলের ছেলে।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ ফেরদৌস আলম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে নিহতের ভাই কৃষ্ণ শর্মা বাদী হয়ে ডোমার থানায় মামলা দায়ের করেন।
এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মঙ্গলবার দুপুরে তাদের জেলার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এডিটর: আই জামান চমক। হোয়াটসঅ্যাপ: 01718456839