• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অবহেলার চরম নিদর্শন! সরকারি স্টোররুমে ময়লা-আবর্জনায় পড়ে ছিল খালেদা জিয়ার বাঁধানো ছবি শারদীয় দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা: উসকানিদাতাদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পঞ্চগড়ের বোদায় চালের ডিও বিতরণ করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ রংপুরের তারাগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও জাল ভিসা প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার পোস্ট অফিসে এখন আর প্রেমপত্র আসেনা, আসে শুধু তালাকপত্র বীরগঞ্জে দুর্গাপূজায় ১৬৪ মণ্ডপে ৯৯ টন জিআর চালের ডিও হস্তান্তর করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু কুড়িগ্রামে এসআরবি-১৩ এর অভিযানে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার অনলাইন জুয়ার প্রতিবাদে শিক্ষক হত্যা মামলা: কিশোরগঞ্জ থেকে প্রধান আসামির সহযোগী গ্রেফতার ডোমারের জোড়াবাড়ীতে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী রসি টানাটানি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রংপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বর থেকে পুলিশের মোটরসাইকেল চুরি, ৯টি চোরাই বাইকসহ গ্রেপ্তার ৪ গঙ্গাচড়ায় পাঁচ দিনব্যাপী দ্বিতীয় উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর সমাপনী অনুষ্ঠিত

অবহেলার চরম নিদর্শন! সরকারি স্টোররুমে ময়লা-আবর্জনায় পড়ে ছিল খালেদা জিয়ার বাঁধানো ছবি

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম) রংপুর
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

আইসিআরবিডি টোয়েন্টিফোর icrbd24: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের স্টোররুমের সিঁড়ির পাশে ধুলাবালি ও পরিত্যক্ত সামগ্রীর মধ্যে পড়ে থাকতে দেখা গেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাঁধানো একটি ছবি। ঘটনাটি জানার পর এর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছেন। ছবিটি কীভাবে সেখানে গেল, আগে কোথায় সংরক্ষিত ছিল এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের স্টোররুমের সিঁড়ির পাশে মেঝেতে ফ্রেমে বাঁধানো বেগম খালেদা জিয়ার ছবিটি পড়ে রয়েছে। ছবিটির একাংশ পলিথিনে ঢাকা। আশপাশে ধুলাবালি, ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন পরিত্যক্ত সামগ্রী পড়ে থাকতে দেখা যায়।
সরকারি একটি কার্যালয়ের ভেতরে সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীর ছবি এভাবে পড়ে থাকার ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তবে ছবিটি সেখানে কীভাবে এল, কে রেখেছেন কিংবা আগে কোথায় রাখা ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোছা. শামসুন নাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কীভাবে এলো, জানি না।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের মাধ্যমে ছবিটির পূর্ববর্তী অবস্থান, সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের বিষয় এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা যাচাই করা হবে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এদিকে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে উপজেলা বিএনপি। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি সরকারি কার্যালয়ের সিঁড়ির পাশে ধুলাবালি ও পরিত্যক্ত সামগ্রীর মধ্যে পড়ে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। ছবিটি কীভাবে সেখানে এলো, কারা রেখেছে এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার বলেন, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি সরকারি কার্যালয়ে এভাবে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
ছবিটি কার্যালয়ের কোথায় সংরক্ষিত ছিল, কী পরিস্থিতিতে সেটি স্টোররুমের সিঁড়ির পাশে এল এবং এ ঘটনায় কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্তের ওপর নির্ভর করছে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটিত হলে ছবিটি সেখানে পড়ে থাকার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
এডিটর: আই জামান চমক। হোয়াটসএ্যাপ: 01718456839


এরকম আরও সংবাদ