• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মিঠাপুকুরে পুকুরপাড় থেকে ১৭ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১৩ বীরগঞ্জে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ সূচনা, সুমা খাতুনের নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু বীরগঞ্জ থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, সেবা গ্রহীতাদের সরাসরি সমস্যা শুনে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ গংগাচড়ায় বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে শুরু হলো তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান ডোমারে ৩৩ মামলার আসামি মাদক কারবারি রুপা মাদকসহ গ্রেফতার গাজীপুর সদরের ভবানীপুরে জলাশয় থেকে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার বীরগঞ্জে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন, দুই ইউনিয়নের লাখো মানুষের যোগাযোগের নতুন দুয়ার উন্মোচিত রংপুরে র‍্যাবের অভিযানে ৬৩৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় ১১০ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় মাদক সিরাপ উদ্ধার

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

সংবাদদাতা:
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


এরকম আরও সংবাদ