নীলফামারীর ডোমার থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত একজন পলাতক আসামি এবং ধর্ষণ চেষ্টার মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। ৩০ মে ২০২৬ তারিখ ডোমার থানা পুলিশের এই দলটির তৎপরতায় নিজ নিজ এলাকা থেকে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়। গ্রেফতারের পর দুই আসামিকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নীলফামারী জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে প্রথমজন হলেন মদন কর্মকার। তিনি ডোমার থানার সরল কর্মকারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে আদালতে সিআর ৪৪/১৯ (ডোমার) মামলা চলমান ছিল। এই মামলায় আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পঁচানব্বই হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকেই মদন কর্মকার দীর্ঘদিন ধরে পলাতক জীবনযাপন করছিলেন। ডোমার থানা পুলিশের আভিযানিক দলটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
অভিযানে গ্রেফতার হওয়া অপর আসামির নাম মোঃ রুবেল ইসলাম, যার বয়স উনিশ বছর। তিনি ডোমার থানার উত্তর আমবাড়ী এলাকার মজিবুল ইসলামের ছেলে। মোঃ রুবেল ইসলামের বিরুদ্ধে ডোমার থানায় ২০২৫ সালের ২৩ জুন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার নম্বর ১২। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ এর ৪ এর খ ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার এই অভিযোগ রয়েছে। মামলার পর থেকেই পুলিশ তাকে খুঁজছিল এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
ডোমার থানা পুলিশ জানায় যে, অপরাধ দমনে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের এ ধরনের আভিযানিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলমান রয়েছে। আদালতের রায় কার্যকর করা এবং ভুক্তভোগীদের আইনি অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুলিশ দলটির এই তৎপরতা স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে। গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।