• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রংপুরে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৫ ওজনে কম ও বেশি দামে পণ্য বিক্রির দায়ে রংপুরে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বীরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত জামালপুরের রাণীগঞ্জে বসতঘর থেকে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে বেনাপোলে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর কঠোর বার্তা পঞ্চগড়ে প্রান্তিক শিশুদের জন্য পাঠ্যক্রমভিত্তিক স্কুল সিলেবাস থিয়েটার কার্যক্রম শুরু ঘোড়াঘাটে ১৯৯০ পিস ইয়াবাসহ ঝালকাঠির যুবক গ্রেপ্তার ডিমলায় জ্বালানি বিক্রি বন্ধকে কেন্দ্র করে ফিলিং স্টেশন মালিকের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, আহত ২ বীরগঞ্জে আখ ক্ষেতে জুয়ার আসর থেকে ২ জন আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও কারাদণ্ড অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মুখে নীলফামারীতে অপসারিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান

আরডিআরএস মোড়ের সেই অপহরণ মামলার আসামি এবার পুলিশের জালে: পাঠানো হলো কারাগারে

আনিছুর রহমান মানিক, সিনিয়র রিপোর্টার। ডোমার (নীলফামারী)
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

নীলফামারীর ডোমারে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মিলন ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডোমার থানা পুলিশের একটি চৌকস দল পৌর এলাকার কাঁচা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। গ্রেফতার হওয়া ২১ বছর বয়সী মিলন ইসলাম ডোমার সদর ইউনিয়নের বড় রাউতা ছাঁয়াপাড়া এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল গত ২৯ জানুয়ারি। ডোমার আরডিআরএস মোড় এলাকার বাসিন্দা শাহিরুল ইসলামের স্কুলপড়ুয়া কন্যা আজিজা ইসলাম সিগ্ধাকে ডোমার হাইওয়ে রাস্তা থেকে অপহরণ করা হয়। ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয় স্থানীয় মানুষের মনে। ঘটনার পর পরই সিগ্ধার পিতা বাদী হয়ে ডোমার থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ০৭/৩০ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় ছাঁয়া পাড়া এলাকার মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে ২২ বছর বয়সী সজিব ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়। এই মামলায় এজাহারভুক্ত ৩ জন আসামির মধ্যে ২ নম্বর আসামি হিসেবে নাম ছিল মিলন ইসলামের। ঘটনার পর থেকেই সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়াতে আত্মগোপনে থাকার চেষ্টা করছিল।

অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটায় ডোমার থানার সাব-ইন্সপেক্টর শৈলেন চন্দ্র দেবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ডোমার পৌর এলাকার কাঁচা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েও শেষ রক্ষা হয়নি মিলন ইসলামের, সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনি প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে আশার আলো দেখছে। ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে চলছে। গ্রেফতার হওয়া আসামি মিলন ইসলামকে ইতিমধ্যেই নীলফামারী জেলার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তৎপর রয়েছে।


এরকম আরও সংবাদ