• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পরিত্যক্ত ডাক্তারখানার মাঠ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ প্রশাসক ডোমারে রুফ ক্রপ কেয়ারের কৃষক মাঠ দিবস: ধান ও হাইব্রিড ভুট্টা চাষে আধুনিক প্রযুক্তির বার্তা ডোমারের বোড়াগাড়ীতে বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ তারের জঞ্জাল, আতঙ্কে শত শত পরিবার ডোমারে প্রশিকার ৯০ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ওসি হাবিবুল্লাহ বীরগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বীরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৬ ইঞ্চির প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টাকা তো দেবেই না, ধন্যবাদও দেবে না? সাবেক মন্ত্রী সামাদ আজাদ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বীরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, জালে ৩ ব্যবসায়ী পেশাদার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ডোমারে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের মানববন্ধন বই যার বন্ধু, সে কখনো একা নয়

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমরের ৪৫০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন

সংবাদদাতা:
বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

১৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৪৫০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. ওমর ফারুক চৌধুরী এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া একই অভিযোগে গোদাগাড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম ও তানোর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. লুৎফর হায়দার রশীদের নামে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুদক।

বুধবার (১২ মার্চ) সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম বাদী হয়ে সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলা চারটি দায়ের করেছেন।

প্রথম মামলায় সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ১৩ কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার ৫৩৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ৫৭ ব্যাংক হিসাবে ৪৪৫ কোটি ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ অভিযোগে তাকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় ওমর ফারুক চৌধুরীর স্ত্রীর নিগার সুলতানা চৌধুরীর নামে ২ কোটি ২৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬৮৯ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া নিজ নামীয় ১১টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৪ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার ৮৪৩ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করার প্রমাণ মিলেছে।

সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ হস্তান্তর রূপান্তর ও স্থানান্তরপূর্বক আয়ের উৎস আড়াল করেছেন। যে কারণে দ্বিতীয় মামলায় স্বামী ও স্ত্রী দুইজনকেই আসামি করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় আসামি হয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম। তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ১০১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আর চতুর্থ মামলায় তানোর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. লুৎফর হায়দার রশীদের বিরুদ্ধে ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার ৬১১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।


More News Of This Category