• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডিমলায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার প্রধান পলাতক আসামি গ্রেপ্তার মর্মান্তিক পরিণতি! চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে প্রাণ হারালেন দুই জন, ৪০০-৫০০ অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা স্বল্প আয়েও কীভাবে সুখী জীবন কাটানো যায়, উদাহরণ সৃষ্টি করলেন কুমিল্লার খালেক মিয়া টেকনাফে যৌথ অভিযানে মানবপাচার মামলার আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার ও দশজন দণ্ডিত শেরপুরে ধর্ষণ ও নারায়ণগঞ্জে চুরির মামলার পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার উখিয়ায় পাহাড় কাটার সময় মাটিভর্তি ডাম্পারসহ একজন আটক রংপুরের মিঠাপুকুরে বাসে অভিযান, ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ চারজন গ্রেফতার লালমনিরহাটে সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার দিনাজপুরের স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার

জামালপুরে বকেয়া বেতন চাওয়ায় নার্সকে মারধরের অভিযোগ

জাকিরুল ইসলাম বাবু, জামালপুর
বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী জেনারেল হাসপাতালে পাঁচ মাসের বকেয়া বেতন চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন আশা মনি (২০) নামে এক নারী নার্স। ঘটনার পর হাসপাতালের অধিকাংশ কক্ষে তালা ঝুলিয়ে মালিকপক্ষ ও কর্মচারীরা আত্মগোপনে চলে গেছেন।

 

ভুক্তভোগী আশা মনি মেলান্দহ পৌরসভার বাসুদেবপুর এলাকার আসর শেখের মেয়ে। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে হাজরাবাড়ী জেনারেল হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত। শুরুতে বেতন নিয়মিত পেলেও গত পাঁচ মাস ধরে কোনো বেতন পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

 

দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে তিনি হাজরাবাড়ী বাজার এলাকায় অবস্থিত হাসপাতাল কার্যালয়ে গিয়ে মালিকদের কাছে বকেয়া বেতন চাইলে, হাসপাতালের মালিক মো. সবুজ ও মো. রফিক উত্তেজিত হয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন বলে অভিযোগ করেন আশা মনি। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

তিনি আরও জানান, শুধু মারধরই নয়, তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এরপর মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ওই দিন রাতেই মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে মেলান্দহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তদন্তে নার্সকে মারধরের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানান মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দেখা যায়, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার, রিসেপশন, ব্লাড কালেকশন রুমসহ গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটগুলো বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। কোনো রোগী বা স্বজনদেরও দেখা যায়নি।


এরকম আরও সংবাদ