খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা থানাধীন তারাবুনিয়া এলাকায় সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মোরতোজা আলী খাঁন। তারাবুনিয়া এলাকার ০৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত বীনন্দ চাকমার ছেলে ৪৫ বছর বয়সী সুজন চাকমার নিথর দেহ উদ্ধারের পর সৃষ্ট পরিস্থিতি মূল্যায়নে এই পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি এই বিয়োগান্তক ঘটনার বিবরণ এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের বিস্তারিত তথ্য অবহিত হন। সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা শেষে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের এই ঘটনার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেন। একই সাথে এই অপ্রীতিকর ঘটনার পেছনে প্রকৃতভাবে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এই বিশেষ পরিদর্শন কার্যক্রমে পুলিশ সুপারের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কামরুল ইসলাম, দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ এবং এই মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা। খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এই দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করছেন।
খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সুজন চাকমার এই রহস্যজনক মৃত্যুর মূল কারণ উদঘাটন করা এবং এর সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টিকে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। পুরো এলাকা জুড়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি ঘটনার সঠিক বিবরণ উন্মোচনে পুলিশ বাহিনী সব ধরনের কারিগরি ও আইনি প্রক্রিয়া ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।