• রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গঙ্গাচড়ায় মেলা আয়োজন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: চেক-স্ট্যাম্প দেখিয়ে তদন্তের দাবি কৃষক দল নেতার গঙ্গাচড়ায় নির্জন স্থান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, নেপথ্যে অজানা কারণ হাজারীবাগের মাদক নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে রাজেশ ও নিখিল, রাজনৈতিক প্রভাব ও সোর্স পরিচয় ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ মাদক পরিহার করে মেধাকে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির টানে বীরগঞ্জে মেলা: পাতা খেলাকে ঘিরে উৎসবে মাতলো দু’মুখা বাজার সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বেতগাড়ী ইউনিয়নের খাপড়ীখালে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডোমারে ভাঙনকবলিত হরিডারা স্লুইসগেট পরিদর্শনে সংসদ সদস্য, দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের আশ্বাস নীলফামারী ও গাইবান্ধায় র‌্যাবের পৃথক অভিযান: ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২ বীরগঞ্জে গভীর রাতে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ড: গবাদিপশুসহ বিপুল ক্ষতির মুখে রসুলপুর গ্রামের আব্দুস সালাম বীরগঞ্জে একই দিনে ব্যবসায়ী ও দুই শিক্ষকসহ তিন বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রয়াণ

গঙ্গাচড়ায় নির্জন স্থান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, নেপথ্যে অজানা কারণ

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম), রংপুর
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মো. মুখলেসুর রহমান নামে ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত পৌনে বারোটার দিকে উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের শান্তিপাড়া এলাকার কাউয়াফান্দা নামক একটি নির্জন স্থান থেকে নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

 

নিহত মুখলেসুর রহমান উপজেলার নবনীদাস এলাকার মৃত হামিদুর রহমানের ছেলে। দীর্ঘদিনের জানাশোনা এমন একজন প্রবীণ মানুষের এমন আকস্মিক ও নৃশংস পরিণতিতে স্থানীয় অধিবাসীদের মনে বিরাজ করছে অজানা আতঙ্ক।

 

এলাকাবাসীর বরাতে জানা যায়, শুক্রবার রাতের আঁধারে কাউয়াফান্দা এলাকার নির্জন স্থানে মুখলেসুর রহমানের ক্ষতবিক্ষত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পথচারী ও স্থানীয়রা। কাছে গিয়ে তার গলায় গভীর ক্ষত দেখতে পেয়ে উপস্থিত সকলে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি অনুধাবন করে তারা অবিলম্বে গঙ্গাচড়া থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আলামত সংগ্রহ শেষে মরদেহ উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

 

তবে ঠিক কী কারণে, কীভাবে এবং কারা এই প্রবীণ মানুষটির ওপর এমন নির্মমতা চালাল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জনমানবহীন স্থানে এমন ঘটনা ঘটায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মনে দানা বাঁধছে নানা প্রশ্ন। আকস্মিক এই ঘটনায় শান্তিপাড়া ও আশপাশের গ্রামগুলোতে নেমে এসেছে শোক ও থমথমে পরিবেশ।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মরদেহ উদ্ধারের পর নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কারা এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বা এর নেপথ্যে কোনো শত্রুতা কিংবা উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

 

এদিকে শান্তিপাড়া ও কাউয়াফান্দা এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। রাতের নির্জনতাকে কাজে লাগিয়ে এভাবে মানুষ হত্যার ঘটনায় তারা নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন এমন নির্মমতার শিকার না হন, সে কথা উল্লেখ করে স্থানীয়রা অনতিবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


More News Of This Category