• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ‘স্মৃতির শ্রদ্ধায় সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন কচাকাটার কেদার ইউনিয়নে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ডোমার জোড়াবাড়ীতে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত কচাকাটায় ‘আলোকিত বল্লভেরখাস’-এর নতুন কমিটি গঠন, ৬০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মরুর বুকে জিয়া গাছ: আরাফাতে কোটি হাজীদের ছায়া দেয় ঈদের ছুটিতেও বন্ধ হয়নি মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা: স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ কুড়িগ্রামের গোলেরহাটে উৎসবমুখর পরিবেশে ৭ হাজার মুসল্লির ঈদুল আযহার নামাজ আদায় বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর মতবিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত শিশু ধর্ষণ: নির্দোষের ফাঁসি এবং আমাদের আবেগী বিচার পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রংপুরবাসী ও দেশবাসীকে বেসিক লিফটের স্বত্বাধিকারী মোঃ ময়েন উদ্দীন বাবুর শুভেচ্ছা

দুদকের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতার ১১ বছরের কারাদণ্ড

সংবাদদাতা:
শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

নোয়াখালীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আহমেদ হোসেন সোহাগ নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আহমেদ হোসেন সোহাগ চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড পাল্লা বাজার এলাকার ধন্যপুর গ্রামের মরহুম রুস্তম আলীর মাস্টারের ছেলে। তিনি চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আহমেদ হোসেন সোহাগ ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দুই দফায় মোট ছয় বছর চাটখিল উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন।

পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার নামে দুদক মামলা করে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার ১১ বছর জেল ও ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত। একই সঙ্গে মামলা চলাকালীন তার সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর অবৈধ ঘোষণা করেন। তিনি ৫ আগস্টের পর মামলার রায় হবে টের পেয়ে অস্ট্রেলিয়া পালিয়ে যান।

নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতের দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস বলেন, আদালত ঋণের টাকার তছরুপ ও নয়ছয়ের সব অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ১১ বছরের জেল ও ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। তিনি সব সময় আদালতে উপস্থিত থাকতেন। কিন্তু রায় হওয়ার সম্ভাবনার বিষয় জানতে পেরে দেশের বাইরে পালিয়ে যান।


More News Of This Category