• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গংগাচড়ায় শিক্ষক মারুফা আক্তার ময়নার আবেগঘন বিদায় ও প্রদীপ কুমার রায়কে বরণ গংগাচড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে দৈনিক সংবাদ দিগন্তের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ পাটগ্রামে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী উদ্ধার, গ্রেফতার ২ অবহেলার চরম নিদর্শন! সরকারি স্টোররুমে ময়লা-আবর্জনায় পড়ে ছিল খালেদা জিয়ার বাঁধানো ছবি শারদীয় দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা: উসকানিদাতাদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পঞ্চগড়ের বোদায় চালের ডিও বিতরণ করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ রংপুরের তারাগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও জাল ভিসা প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার পোস্ট অফিসে এখন আর প্রেমপত্র আসেনা, আসে শুধু তালাকপত্র বীরগঞ্জে দুর্গাপূজায় ১৬৪ মণ্ডপে ৯৯ টন জিআর চালের ডিও হস্তান্তর করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু কুড়িগ্রামে এসআরবি-১৩ এর অভিযানে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

দুদকের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতার ১১ বছরের কারাদণ্ড

সংবাদদাতা:
শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

নোয়াখালীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আহমেদ হোসেন সোহাগ নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আহমেদ হোসেন সোহাগ চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড পাল্লা বাজার এলাকার ধন্যপুর গ্রামের মরহুম রুস্তম আলীর মাস্টারের ছেলে। তিনি চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আহমেদ হোসেন সোহাগ ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দুই দফায় মোট ছয় বছর চাটখিল উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন।

পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার নামে দুদক মামলা করে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার ১১ বছর জেল ও ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত। একই সঙ্গে মামলা চলাকালীন তার সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর অবৈধ ঘোষণা করেন। তিনি ৫ আগস্টের পর মামলার রায় হবে টের পেয়ে অস্ট্রেলিয়া পালিয়ে যান।

নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতের দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস বলেন, আদালত ঋণের টাকার তছরুপ ও নয়ছয়ের সব অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ১১ বছরের জেল ও ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। তিনি সব সময় আদালতে উপস্থিত থাকতেন। কিন্তু রায় হওয়ার সম্ভাবনার বিষয় জানতে পেরে দেশের বাইরে পালিয়ে যান।


এরকম আরও সংবাদ