• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খিদিরপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক কারানির্যাতিত ছাত্রনেতা শেখ মহসিন ফুলবাড়ীতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও এস্কাফসহ গ্রেপ্তার ৪, র‌্যাবের অভিযান নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুরপাড় থেকে তাজা ধাতব গ্রেনেড উদ্ধার করল র‌্যাব  করতোয়ার পাড়ে থেমে গেল একটি কণ্ঠ: ওপারে ভালো থাকুন জগেশ দা গঙ্গাচড়ায় রি.কে.এস পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান ডিমলা খাদ্য গুদামে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ, দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ বীরগঞ্জে সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলামকে ওলামা দলের পাল্টাপুর ইউনিয়ন কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বীরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু নীলফামারীতে রেঞ্জ ডিআইজি: শৃঙ্খলা ও জনআস্থাই পুলিশের মূল শক্তি

জীবনের রঙ, এক আশার মন্ত্র : জুবিন গার্গ

আই জামান চমক, ঢাকা
শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

জুবিন গর্গের লেখা এবং গাওয়া ‘জীবনের রঙ’ গানটি এখন আসামের (অসম) মানুষের বাঁচার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করছে। বলা যায়, এই গানটিই এখন অসমীয়াদের সামনে এগিয়ে চলার মন্ত্র। রাজ্যের সর্বত্র, আপামর জনসাধারণের কণ্ঠে এখন কেবলই ‘জীবনের রঙ’ সুরটি শোনা যায়। জুবিন গর্গ যেন তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে আসামের মানুষদের জাগিয়ে রেখেছেন। একজন শিল্পী, একজন মানুষ কতটা মানুষের কাছাকাছি গেলে, তাঁদেরকে বুকে টেনে নিলে ঈশ্বর হয়ে ওঠা যায়, জুবিন গর্গ যেন তারই প্রতিচ্ছবি।

গানটির কথাগুলি যেন জীবনের এক গভীর সত্যকে সহজভাবে তুলে ধরেছে। এটি কেবল একটি গান নয়, বরং প্রতিটি হতাশ মুহূর্তের জন্য এক সঞ্জীবনী সুধা।

এখানে গানটির সেই অনুপ্রেরণামূলক অংশটি তুলে ধরা হলো:

“যদি জীবনের রঙ লুকোচুরি খেলে,

আশার প্রদীপটি নিভু নিভু জ্বলে,

তবুও বন্ধু এগিয়ে যাবে—

তবুও বন্ধু এগিয়ে যাবে—

পেছন ফিরে আর তাকাবে না।”

এই অংশটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে অন্ধকারই শেষ কথা নয়, কঠিন পরিস্থিতিতেও আমাদের মনোবল ধরে রাখতে হবে।

“যদি চাঁদ-তারা আকাশে মুখ লুকায়,

যদি রোদও নীল গগনে না হাসে তায়,

তবুও বন্ধু মনোবল রাখো,

তবুও বন্ধু মনোবল রাখো,

শেষে সবই তুমি পাবে নিশ্চয়।”

আমাদের জীবন নানা রঙে ভরা। সেখানে যেমন সুখ আছে, তেমনই দুঃখের ছায়াও অনস্বীকার্য। আমরা মরীচিকার পেছনে ছুটি, হাহাকার করি, দিনের পর দিন এই জীবন-মরুভূমি বয়ে চলি। কিন্তু, জীবনের পথে যতই আঘাত-প্রতিঘাত আসুক না কেন, রাতের শেষে যেমন ভোরের আলো আসে, তেমনই জীবনের এই নাটকে শেষে সবকিছুই পাওয়া যায়, আর ওপারেই মেলে শান্তির এক স্নিগ্ধ ছায়া। একজন শিল্পী যখন তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে একটি গোটা জনপদকে এমনভাবে জাগিয়ে তোলেন, তখন তিনি শুধু শিল্পী থাকেন না, হয়ে ওঠেন জনমানুষের আশ্রয় ও প্রেরণা।

-লেখক: কবি, সাংবাদিক, আবৃত্তিকার ও বাচিক শিল্পী


এরকম আরও সংবাদ