• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পরিত্যক্ত ডাক্তারখানার মাঠ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ প্রশাসক ডোমারে রুফ ক্রপ কেয়ারের কৃষক মাঠ দিবস: ধান ও হাইব্রিড ভুট্টা চাষে আধুনিক প্রযুক্তির বার্তা ডোমারের বোড়াগাড়ীতে বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ তারের জঞ্জাল, আতঙ্কে শত শত পরিবার ডোমারে প্রশিকার ৯০ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ওসি হাবিবুল্লাহ বীরগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বীরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৬ ইঞ্চির প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টাকা তো দেবেই না, ধন্যবাদও দেবে না? সাবেক মন্ত্রী সামাদ আজাদ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বীরগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, জালে ৩ ব্যবসায়ী পেশাদার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ডোমারে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের মানববন্ধন বই যার বন্ধু, সে কখনো একা নয়

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা: বিচার দাবি পরিবারের

মোঃ বেলাল মিয়া, সাদুল্যাপুর ( গাইবান্ধা )
রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

 

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার ৫ নং ফরিদপুর ইউনিয়নের মীরপুর হাট ও বাজারের ব্যবসায়ী নুরনবী মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত ২৮-১০-২০২৫ ইং রাতে দোকান থেকে বাসায় যাওয়ার পথে মীরপুর বাজারের কাছে রাস্তার মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরনবী মিয়া মীরপুর বাজারে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন। তিনি একজন সৎ ও সাহসী যুবক ছিলেন।

জানা গেছে, বাসায় যাওয়ার ঠিক কিছু আগে রাস্তার মোড়ে তাকে থামানো হয়। সেখানে গল্প করারও ধারণা করা হচ্ছে, কারণ ঘটনাস্থল থেকে সিগারেট পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, পিছন দিক থেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার মাথার ঠিক পিছনে কোপানো হয়। এছাড়াও তার পিঠে কোপ এবং বুকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, এলাকায় খুন ও মাদকের রমরমা ব্যবসা চলার কারণে সাধারণ মানুষ অনিরাপদ। তাদের অভিযোগ, যে কেউ সামনে এলে হয় লাশ হতে হচ্ছে, না হলে জীবন হারাতে হচ্ছে। এমন একটি ঘটনা কয়েকদিন আগেও ঘটেছে, যেখানে কচু তোলাকে কেন্দ্র করে এক ভাই আরেক ভাইকে খুন করেছে বলে জানা যায়।

মৃত নুরনবী মিয়ার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর ছিল। এলোপাতাড়ি কোপানোর কারণে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, তাকে চাইনিজ কুড়াল ও রাম দা দিয়ে কোপানো হয়েছে।

নিহত নুরনবী ছিলেন তার বাবা মৃত আলীম উদ্দিনের তিন নম্বর সন্তান। তাদের পরিবারে তিন ভাই ও চার বোন। ভাইয়েরা হলেন মোঃ শাহিদুল, মোঃ সুফি আলম এবং মৃত নুরনবী। বোনেরা হলেন আনজুয়ারা, মরিয়ম, মাজেদা ও মারুফা।

নুরনবীর বড় ভাই ও বড় বোন সাংবাদিকদের কাছে এই ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ২৯ তারিখে এই ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো অনুসন্ধান করে জানা যায়নি। ঘটনার পরবর্তী আপডেট জানতে সাংবাদিকরা তৎপর রয়েছেন।


More News Of This Category