• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাকা ধানে মই দিলে ফসল মেলে না: ফলাফল শূন্য হওয়ার আগেই থামা উচিত দিনাজপুরে বাবা-সৎভাই হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে দুই ভাই গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার নাশকতা চেষ্টা ও সরকার উৎখাতের মামলায় পঞ্চগড়ের সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী কারাগারে অবুঝ মেয়েটার জন্য না খেয়ে কাঁদছেন মা, বুকফাটা আর্তনাদ পঞ্চগড়ের নুর আলমের ডোমারে ২০ বোতল অবৈধ এস্কাপ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ের সেফ হাসপাতালে দীর্ঘ ১৪ মাস পর ১৩৪ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল প্রদান দীঘিনালায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার, দ্রুত তদন্তের নির্দেশ ডোমারে পুত্রবধূ হত্যা মামলার পলাতক আসামি শ্বশুর চিলাহাটি থেকে গ্রেফতার দেবীগঞ্জে ঢেঁড়সের বীজ উৎপাদন ও চিনাবাদামের উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে বাবা-সৎভাই হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে দুই ভাই গ্রেপ্তার

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম), রংপুর
মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা ও সৎভাইকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত দুই ভাইকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. সাদেকুল ইসলাম (৩০) ও তার ছোট ভাই মো. সাকিব (১৯)। সোমবার (২৯ জুন) চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোড এলাকার একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে সাদেকুল এবং রাতে একই এলাকার একটি হোটেলের সামনে থেকে সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত শহিদুল হক দুলুর প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ১৩ মে সকালে বাড়ির পাশে ভুট্টা তোলাকে কেন্দ্র করে সাদেকুল ইসলামের সঙ্গে তার বাবা শহিদুল হক দুলুর বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সাদেকুল বাড়ি থেকে বল্লম ও ছুরি এনে বাবার বুকে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
এ সময় বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে সৎভাই কাবিলকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর সাদেকুল পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিল বাদী হয়ে চিরিরবন্দর থানায় সৎভাই, সৎমাসহ কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে ছিলেন।
র‌্যাব-১৩ জানায়, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩ ও র‌্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযানে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।


More News Of This Category