• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে ট্রাক ও মিথিলা পরিবহনের সংঘর্ষে চালকসহ দুজনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু সিরাজগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার পাগলাপীরে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন বীরগঞ্জে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার সূচনা: ডিজিটাল সেবায় গুরুত্বারোপ গঙ্গাচড়ার বেতগাড়ী ইউপিতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ পীরগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৮ অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ারি গ্রেফতার ডোমারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদযাপন: অগ্নি নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজন পঞ্চগড়ে উন্নত জাতের বোরো ধানে বাম্পার ফলন, হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে আরডিআরএস মোড়ের সেই অপহরণ মামলার আসামি এবার পুলিশের জালে: পাঠানো হলো কারাগারে ডোমারে দঃ চিকনমাটি কর্ণময়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দূর্ধষ চুরি

দেবীগঞ্জে হলুদের বাম্পার ফলন : কম খরচে দ্বিগুণ লাভে খুশি কৃষকরা

লালন সরকার, নিজস্ব সংবাদদাতা। দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়)
বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে হলুদের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। উৎপাদন ভালো হওয়ায় খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে কৃষকদের লাভ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা।

৩১ ডিসেম্বর দুপুরে স্থানীয় কৃষক ভবেশ চন্দ্র রায় জানান, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং উন্নত মানের বীজ ব্যবহার করে কম খরচে হলুদ চাষ করায় ফলন প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। এতে করে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, হলুদ ৯ থেকে ১০ মাসের একটি ফসল। নিজস্ব বীজ থাকলে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এতে প্রতি বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মণ পর্যন্ত হলুদ উৎপাদন সম্ভব। এবছর তিনি প্রায় ১১ বিঘা জমিতে বীজ হলুদের চাষ করেছেন।

দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের পেড়ালবারী এলাকার একাধিক কৃষক জানান, সারা দেশে আলুর দাম কম থাকায় অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে হলুদ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। তুলনামূলক কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় হলুদ চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ হলুদ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকায়।

এদিকে, হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করেই মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন কৃষকেরা। তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়লেও ফসল ঘরে তোলার তাগিদে কৃষকদের কর্মচাঞ্চল্য থেমে নেই। কৃষকদের আশা, এভাবে হলুদের ভালো ফলনের ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কৃষি খাতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাঈম মোর্শেদ বলেন, মশলাজাতীয় খাদ্যদ্রব্য হলুদের চাহিদা প্রচুর এবং দামও অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভালো। সে কারণে দেবীগঞ্জ উপজেলায় দিন দিন হলুদের আবাদ বাড়ছে। হলুদ বছরব্যাপী ফসল হওয়ায় সাথী ফসল হিসেবেও কৃষকেরা এর আবাদ করে থাকেন। হলুদে তেমন কোনো রোগবালাই নেই বললেই চলে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি অর্থবছরে দেবীগঞ্জ উপজেলায় হলুদের বাম্পার ফলন হয়েছে। আশা করছি চাষিরা লাভবান হবেন।


More News Of This Category