• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাকা ধানে মই দিলে ফসল মেলে না: ফলাফল শূন্য হওয়ার আগেই থামা উচিত দিনাজপুরে বাবা-সৎভাই হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে দুই ভাই গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার নাশকতা চেষ্টা ও সরকার উৎখাতের মামলায় পঞ্চগড়ের সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী কারাগারে অবুঝ মেয়েটার জন্য না খেয়ে কাঁদছেন মা, বুকফাটা আর্তনাদ পঞ্চগড়ের নুর আলমের ডোমারে ২০ বোতল অবৈধ এস্কাপ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ের সেফ হাসপাতালে দীর্ঘ ১৪ মাস পর ১৩৪ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল প্রদান দীঘিনালায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার, দ্রুত তদন্তের নির্দেশ ডোমারে পুত্রবধূ হত্যা মামলার পলাতক আসামি শ্বশুর চিলাহাটি থেকে গ্রেফতার দেবীগঞ্জে ঢেঁড়সের বীজ উৎপাদন ও চিনাবাদামের উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

জামালপুরে বকেয়া বেতন চাওয়ায় নার্সকে মারধরের অভিযোগ

জাকিরুল ইসলাম বাবু, জামালপুর
বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী জেনারেল হাসপাতালে পাঁচ মাসের বকেয়া বেতন চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন আশা মনি (২০) নামে এক নারী নার্স। ঘটনার পর হাসপাতালের অধিকাংশ কক্ষে তালা ঝুলিয়ে মালিকপক্ষ ও কর্মচারীরা আত্মগোপনে চলে গেছেন।

 

ভুক্তভোগী আশা মনি মেলান্দহ পৌরসভার বাসুদেবপুর এলাকার আসর শেখের মেয়ে। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে হাজরাবাড়ী জেনারেল হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত। শুরুতে বেতন নিয়মিত পেলেও গত পাঁচ মাস ধরে কোনো বেতন পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

 

দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে তিনি হাজরাবাড়ী বাজার এলাকায় অবস্থিত হাসপাতাল কার্যালয়ে গিয়ে মালিকদের কাছে বকেয়া বেতন চাইলে, হাসপাতালের মালিক মো. সবুজ ও মো. রফিক উত্তেজিত হয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন বলে অভিযোগ করেন আশা মনি। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

তিনি আরও জানান, শুধু মারধরই নয়, তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এরপর মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ওই দিন রাতেই মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে মেলান্দহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তদন্তে নার্সকে মারধরের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানান মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দেখা যায়, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার, রিসেপশন, ব্লাড কালেকশন রুমসহ গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটগুলো বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। কোনো রোগী বা স্বজনদেরও দেখা যায়নি।


More News Of This Category