• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রবাসে সড়ক দুর্ঘটনায় কবি ও গীতিকার মো. ফারুক ইসলামের মৃত্যু রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজীকে বড়বিল-মন্থনাবাসীর গণসংবর্ধনা কচাকাটার চরাঞ্চলে হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন বীরগঞ্জে নবনির্মিত ভোগডোমা আশ্রয়ণ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু ও দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক দেবীগঞ্জে মছির উদ্দিন প্রধান কমিউনিটি ওয়েলফেয়ারের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দেড় হাজার মানুষকে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান ডোমারে সাজাপ্রাপ্ত ও ধর্ষণ চেষ্টার মামলার দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার বীরগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনজুরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ‘স্মৃতির শ্রদ্ধায় সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন কচাকাটার কেদার ইউনিয়নে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ডোমার জোড়াবাড়ীতে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত কচাকাটায় ‘আলোকিত বল্লভেরখাস’-এর নতুন কমিটি গঠন, ৬০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রবাসে সড়ক দুর্ঘটনায় কবি ও গীতিকার মো. ফারুক ইসলামের মৃত্যু

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম), রংপুর
সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

কবি, গীতিকার ও সাহিত্য সংগঠক মো. ফারুক ইসলাম আর নেই। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জানা গেছে, গত ৩১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রিয়াদে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪১ বছর।

ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গুজিখাঁ গ্রামের সন্তান মো. ফারুক ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। চলতি বছর দেশে ফিরে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে আত্মনিয়োগের পরিকল্পনা থাকলেও নিয়তির নির্মম পরিহাসে তা আর বাস্তবায়িত হলো না।

সাহিত্যাঙ্গনে তিনি ছিলেন একজন পরিচিত মুখ। মানবতা, বাস্তবতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, প্রেম ও জীবনবোধ নিয়ে তাঁর অসংখ্য কবিতা ও গান পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে। বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও সাহিত্য সংকলনে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্যচর্চায় অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সংগঠন থেকে সম্মাননা লাভ করেন।

তিনি লেখালেখির পাশাপাশি কবি ও কবিতার বিশ্ব এর সভাপতি ছিলেন।
জাতীয় বর্ণমালা সাহিত্য পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি সাহিত্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘জীবনতরী’, ‘বিপন্ন মানবতা’, ‘স্বপ্নতরী’, ‘ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো’, ‘দীর্ঘশ্বাস’সহ একাধিক কাব্যগ্রন্থ।

ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন একজন পরোপকারী, নিরহংকার, নির্লোভ ও ধর্মভীরু মানুষ। স্রষ্টাতত্ত্ব, মানবতা এবং নৈতিক মূল্যবোধকে কেন্দ্র করে তাঁর সাহিত্যকর্ম বিশেষভাবে পাঠকদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
তাঁর মৃত্যুতে সাহিত্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাহিত্যপ্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।

তিনি স্ত্রী মোছা. লিলি বেগম, দুই পুত্র উজ্জ্বল ও মাহফুজসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

আল্লাহ তাআলা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। আমিন।


More News Of This Category