• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আলমবিদিতর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য প্রার্থী মানিক সরকারের গণসংযোগ ও দোয়া প্রার্থনা বীরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল করতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তার শীর্ষে দেবীগঞ্জের মাটির সন্তান রাসেল আহম্মেদ প্রধান কুড়িগ্রামে সাংবাদিক জোবাইয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি ডোমারের ক্যান্সার আক্রান্ত কমিলা ঋষির চিকিৎসা সহায়তার আকুতি, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা পরিবার গঙ্গাচড়ায় ১০০ বোতল মাদকসহ আটক ২, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি মেহেরপুরে ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন ও শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা সাভার থানার ওসি পদে ডোমারে গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকীতে ১১ দলের গণমিছিল ও আলোচনা সভা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে বীরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল ও সমাবেশ পঞ্চগড়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

শীতার্তদের জন্য ১৪০০ টাকার মানসম্মত কম্বল: ভালো মানের শীতবস্ত্র বিতরণে ডিসির আহ্বান

লালন সরকার, পঞ্চগড় (দেবীগঞ্জ)
শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের শীতার্ত মানুষের জন্য মানসম্মত ও টেকসই কম্বল বিতরণে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান। হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় তীব্র শীতে জর্জরিত এই জেলার দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি এনজিও এবং দানশীল সংস্থাগুলোকে মানসম্মত কম্বল বিতরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ পোস্টে এই বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবেই শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে পাওয়া ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ৮ হাজার ৬৪০টি কম্বল কেনা হয়েছে, যার প্রতিটির গড় দাম পড়েছে ৩৪৭ টাকা। এই কম্বলগুলো পাঁচটি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে। তবে এই কম্বলগুলো নিম্নমানের হওয়ায় এক বছর ব্যবহারের পরই নষ্ট হয়ে যায়।

জেলা প্রশাসক জানান, প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী আরও ৬৫ হাজার শীতার্ত মানুষের কম্বল প্রয়োজন। তিনি প্রতি বছর দুই-তিনশ টাকা দামের কম্বল বিতরণের পরিবর্তে কমপক্ষে ১ হাজার টাকা দামের মানসম্মত কম্বল দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন, যা একজন মানুষ কয়েক বছর ব্যবহার করতে পারবে। এর ফলে প্রতি বছর একই ব্যক্তিকে কম্বল দিতে হবে না এবং তারা কম্বলের জন্য সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হবেন না। এই উদ্দেশ্যে তিনি ৬৫ হাজার কম্বলের জন্য ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন।

অন্যদিকে, তিনি জেলায় কম্বল বিতরণকারী এনজিওগুলোকে সংখ্যায় কম হলেও মানসম্মত কম্বল বিতরণের অনুরোধ জানিয়েছেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি জার্মানভিত্তিক এনজিও ১৪০০ টাকা দামের মানসম্মত কম্বল বিতরণ করেছে, যা জেলা প্রশাসকের পছন্দ হয়েছে।

জেলা প্রশাসক তাঁর পোস্টে জোর দিয়ে বলেন, “যে কম্বলে পা ঢাকলে মাথা খোলা থাকে তা দিয়ে লাভ নেই। প্রতিবছর একজনকে কম্বল দেওয়াও ঠিক না। তাকে নির্ভরশীল করার দরকার নেই।”

তিনি দেশের সবচেয়ে শীতল এই জেলায় কম্বল বিতরণে আগ্রহী দাতাদের থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা করারও আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তাঁর একমাত্র অনুরোধ, “প্লিজ মানসম্মত দামি কম্বল দিন। একটা মানসম্মত কম্বল পেলে একটা পরিবার সারাজীবন ব্যবহার করতে পারবে।”


More News Of This Category