• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খিদিরপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক কারানির্যাতিত ছাত্রনেতা শেখ মহসিন ফুলবাড়ীতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও এস্কাফসহ গ্রেপ্তার ৪, র‌্যাবের অভিযান নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুরপাড় থেকে তাজা ধাতব গ্রেনেড উদ্ধার করল র‌্যাব  করতোয়ার পাড়ে থেমে গেল একটি কণ্ঠ: ওপারে ভালো থাকুন জগেশ দা গঙ্গাচড়ায় রি.কে.এস পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান ডিমলা খাদ্য গুদামে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ, দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ বীরগঞ্জে সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলামকে ওলামা দলের পাল্টাপুর ইউনিয়ন কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বীরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু নীলফামারীতে রেঞ্জ ডিআইজি: শৃঙ্খলা ও জনআস্থাই পুলিশের মূল শক্তি

শিল্পকলার প্রতিচ্ছবি: আফরোজা ঝুমুর

সংবাদদাতা:
মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

আই জামান চমক: আজ সেই বিশেষ দিন, যখন শিল্পকলার একনিষ্ঠ সাধিকা, কবি, কন্ঠশিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও আবৃত্তিকার আফরোজা ঝুমুর এই পৃথিবীতে আলোড়ন তুলেছিলেন। তাঁকে জন্মদিনের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ঝুমুরের প্রতিভা বহুধা-বিস্তৃত, যা তাঁকে চারুকলার জগতে এক বিশিষ্ট স্থান দিয়েছে। তাঁর সৃজনশীলতার প্রতিটি দিকই যেন এক একটি রত্ন, যা শিল্পানুরাগীদের মুগ্ধ করে।

আমার স্মৃতিতে সেই দিনটি আজও উজ্জ্বল, যখন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে তাঁর সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটে। জায়গাটির নাম, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। যেন শিল্প ও সংস্কৃতির এক মিলনস্থল। সেখানে কত গুণী মানুষের পদচারণা, কত প্রতিভার স্ফুরণ! সেই পরিবেশেই ঝুমুরের সাথে আমার আলাপ। তাঁর কন্ঠস্বর ও বাচনভঙ্গিতে এক বিশেষ স্নিগ্ধতা আছে, যা মানুষকে সহজে আকর্ষণ করে। তাঁর সাথে একসাথে গান গেয়েছি, সুরের মায়ায় নিজেদের কন্ঠকে বাঁধতে চেয়েছি। সেই মুহূর্তগুলি ছিল কেবল সংগীতের নয়, দুটি শিল্পমনস্ক মানুষের ভাব বিনিময়েরও।

কবিতায় ঝুমুরের নিজস্ব এক ভঙ্গি, শব্দ চয়নের নিজস্বতা লক্ষ করা যায়। কন্ঠশিল্পী হিসেবে তাঁর গায়কি বেশ মনোগ্রাহী। আবার, নৃত্যশিল্পী রূপে মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। বিশেষ করে, আবৃত্তিকার হিসেবে তাঁর পারদর্শিতা অনস্বীকার্য। তিনি যখন কোনো কবিতা আবৃত্তি করেন, তখন মনে হয় যেন শব্দেরা নতুন জীবন পায়, প্রতিটি পংক্তি জীবন্ত হয়ে ওঠে। তাঁর উচ্চারণে যে আবেগ ও প্রকাশভঙ্গির গভীরতা থাকে, তা শ্রোতাকে কবিতার মূল ভাবনার গভীরে নিয়ে যায়। আমি মনে করি, এই বৈচিত্র্যময় প্রতিভা সচরাচর দেখা যায় না।

সৃষ্টিশীলতার এই ধারাকে তিনি যে নিষ্ঠার সাথে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। শিল্পীর জীবন কেবল খ্যাতি অর্জনের পথ নয়, নিরন্তর সাধনার মাধ্যমে নিজের শিল্পকে আরও বেশি পরিশীলিত করে তোলার এক কঠিন ব্রত। ঝুমুর সেই ব্রতকে ধারণ করে চলেছেন। আমরা আশা করি, তাঁর এই বহুমাত্রিক শিল্পসাধনা আগামী দিনেও বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে এবং বাংলার শিল্প সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে। শুভ জন্মদিন, আফরোজা ঝুমুর। আপনার জীবন হোক আরও বর্ণিল, সৃষ্টি হোক আরও দ্যুতিময়।

-লেখক: কবি, সাংবাদিক, আবৃত্তিকার ও বাচিক শিল্পী


এরকম আরও সংবাদ