• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তথ্য পাচারের সন্দেহে ডিএমপির ৫০টি থানার রাইটারদের গণবদলি টাঙ্গাইলে সরকারি শিশু পরিবারের ৮ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার মেধাবৃত্তি প্রদান কক্সবাজারের লিংক রোডে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি খুলনায় শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলার অভিযুক্ত রিফাত পিরোজপুর থেকে গ্রেপ্তার ডোমারের চিলাহাটিতে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেফতার ডোমারে চাঞ্চল্যকর একরামুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়ানুর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার ডোমারে স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ রংপুরে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৫ ওজনে কম ও বেশি দামে পণ্য বিক্রির দায়ে রংপুরে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বীরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

জামালপুরে ভিজিএফ এর চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

জাকিরুল ইসলাম বাবু, জামালপুর
বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫

মেলান্দহ উপজেলার ঘোষের পাড়া ইউনিয়নে গরিব-অসহায়দের জন্য সরকারি বরাদ্দের ঈদের উপহার ভিজিএফ এর চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেলান্দহ উপজেলার ৫৯৩০ জন সুবিধা ভোগীদের নামের তালিকা করে তালিকা করে বুধবার থেকে চাল বিতরণ শুরু করা হয় । বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভিজিএফ এর চাল বিতরণে ১০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও বালতির মাধ্যমে সাড়ে আট থেকে ৯ কেজি ৩৫০ গ্রাম চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এমনকি চাল মাপার জন্য ডিজিটাল স্কেল মেশিন ব্যবহার করার নিয়ম থাকলেও সেটাকে তোয়াক্কা না করে প্যানেল চেয়ারম্যান মো: আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ নিজের ইচ্ছা মত প্লাস্টিকের বালতির মাধ্যমে চাল বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। এ ছাড়াও এক ব্যক্তিকেই ৩/৪ জনের চাল নিতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সুবিধাভোগীরা জানান, অনেকেই সাড়ে ৮ কেজি আবার কেউ নয় কেজি চাল পেয়েছে। আমি ৯ কেজি ৩০০ গ্রাম চাল পেয়েছি। মিটার দিয়ে চাল মেপে দেয় নাই। বালতি দিয়ে মেপে দিচ্ছে, তাই যার কপালে যেটা জুটছে সেটাই পাচ্ছে। আর স্লিপ কয়জনে পাইছে জানিনা। তবে এখনো অনেক চালের বস্তা পরিষদে আছে। হয়তো আত্মসাৎ করবে এরা।

ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে কার্ড ধারীরা এসে চাল নিয়ে যাচ্ছে।
কথা হলে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সাড়ে নয় কেজির ওপরে চাল দিতে পারব না। লাগলে বন্ধ করে দিব।

তবে মেলান্দহ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম গোলাম কিবরিয়া জানান, আমি এখানে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করে যাচ্ছি। সাড়ে নয় কেজির ওপরে প্যানেল চেয়ারম্যান কেন চাল দিবে না এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো জানান, হয়তো কথাটি রাগের মাথায় বলেছে।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. আলমগীর জানান, সাড়ে নয় কেজির নীচে তো চাল দেওয়ার কথা না। আমি দেখতেছি । বিষয়টি ট্যাগ অফিসারকে আপনারাও বলুন।


এরকম আরও সংবাদ