• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খিদিরপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক কারানির্যাতিত ছাত্রনেতা শেখ মহসিন ফুলবাড়ীতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও এস্কাফসহ গ্রেপ্তার ৪, র‌্যাবের অভিযান নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুরপাড় থেকে তাজা ধাতব গ্রেনেড উদ্ধার করল র‌্যাব  করতোয়ার পাড়ে থেমে গেল একটি কণ্ঠ: ওপারে ভালো থাকুন জগেশ দা গঙ্গাচড়ায় রি.কে.এস পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান ডিমলা খাদ্য গুদামে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ, দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ বীরগঞ্জে সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলামকে ওলামা দলের পাল্টাপুর ইউনিয়ন কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বীরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু নীলফামারীতে রেঞ্জ ডিআইজি: শৃঙ্খলা ও জনআস্থাই পুলিশের মূল শক্তি

জামালপুরে ভিজিএফ এর চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

জাকিরুল ইসলাম বাবু, জামালপুর
বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫

মেলান্দহ উপজেলার ঘোষের পাড়া ইউনিয়নে গরিব-অসহায়দের জন্য সরকারি বরাদ্দের ঈদের উপহার ভিজিএফ এর চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেলান্দহ উপজেলার ৫৯৩০ জন সুবিধা ভোগীদের নামের তালিকা করে তালিকা করে বুধবার থেকে চাল বিতরণ শুরু করা হয় । বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভিজিএফ এর চাল বিতরণে ১০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও বালতির মাধ্যমে সাড়ে আট থেকে ৯ কেজি ৩৫০ গ্রাম চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এমনকি চাল মাপার জন্য ডিজিটাল স্কেল মেশিন ব্যবহার করার নিয়ম থাকলেও সেটাকে তোয়াক্কা না করে প্যানেল চেয়ারম্যান মো: আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ নিজের ইচ্ছা মত প্লাস্টিকের বালতির মাধ্যমে চাল বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। এ ছাড়াও এক ব্যক্তিকেই ৩/৪ জনের চাল নিতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সুবিধাভোগীরা জানান, অনেকেই সাড়ে ৮ কেজি আবার কেউ নয় কেজি চাল পেয়েছে। আমি ৯ কেজি ৩০০ গ্রাম চাল পেয়েছি। মিটার দিয়ে চাল মেপে দেয় নাই। বালতি দিয়ে মেপে দিচ্ছে, তাই যার কপালে যেটা জুটছে সেটাই পাচ্ছে। আর স্লিপ কয়জনে পাইছে জানিনা। তবে এখনো অনেক চালের বস্তা পরিষদে আছে। হয়তো আত্মসাৎ করবে এরা।

ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে কার্ড ধারীরা এসে চাল নিয়ে যাচ্ছে।
কথা হলে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সাড়ে নয় কেজির ওপরে চাল দিতে পারব না। লাগলে বন্ধ করে দিব।

তবে মেলান্দহ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম গোলাম কিবরিয়া জানান, আমি এখানে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করে যাচ্ছি। সাড়ে নয় কেজির ওপরে প্যানেল চেয়ারম্যান কেন চাল দিবে না এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো জানান, হয়তো কথাটি রাগের মাথায় বলেছে।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. আলমগীর জানান, সাড়ে নয় কেজির নীচে তো চাল দেওয়ার কথা না। আমি দেখতেছি । বিষয়টি ট্যাগ অফিসারকে আপনারাও বলুন।


এরকম আরও সংবাদ