• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে মোটরসাইকেলসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হাশেম গ্রেফতার, ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার হারিয়ে যাচ্ছে শিল্পী পাখি বাবুই, করতোয়া তীরের কিচিরমিচিরে লুকিয়ে থাকা এক বুক আর্তি সরকারের তোষামোদ নয়, সত্যকে সত্য হিসেবেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে: গণমাধ্যমকে প্রধানমন্ত্রী গংগাচড়ার বেতগাড়ী একরামিয়া ফাজিল মাদরাসার নতুন সভাপতি সহিদুল ইসলাম ও বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি আহসান হাবিব বেতগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বেতগাড়ী হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত শব্দের অন্তরাল থেকে আলোর অভিযাত্রা : কবি পারুল আক্তার পান্নার কাব্যভুবন ডোমার কেতকীবাড়ীতে চলাচলের রাস্তা বন্ধের জেরে বাবা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কৃষকের ফসলি জমি দখলের অভিযোগ, হুমকি ও ৪০ হাজার টাকার ক্ষতির দাবি

লালন সরকার। দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়
শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় এক কৃষকের ফসলি জমি জোরপূর্বক দখল এবং ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। দেবীগঞ্জের মালচন্ডী বাগান পাড়া এলাকার কৃষক মোঃ মোতালেব হোসেন (৩০) লিখিত অভিযোগে সোনাহার পশ্চিম মুন্সিপাড়া এলাকার সাতজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।

অভিযুক্তরা হলেন, মোঃ ফজল হক (সুমন), মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ আমজাত হোসেন, মোঃ জহুরুল ইসলাম, মোঃ হালিম, আব্দুল আলিম এবং মোঃ রমজান আলী। সকলেই মোঃ একাব্বর হোসেনের পুত্র বলে জানা গেছে।

কৃষক মোতালেব হোসেন অভিযোগ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজ ভোগদখলীয় জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। গত ১০ অক্টোবর তিনি ওই জমিতে আলুর বীজ রোপণ করেন এবং বীজ থেকে অঙ্কুরও গজাতে শুরু করে। কিন্তু গত ১৭ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তার জমিতে ট্রাক্টর নিয়ে ঢুকে জোরপূর্বক হালচাষ শুরু করে।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা তাকে জমি ছাড়ার জন্য ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তাদের এই হামলায় আলুর বীজ নষ্ট হয়ে প্রায় ৪০,০০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তিনজন ব্যক্তি—মোঃ ফরহাদ আলী, মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং মোঃ জসীম উদ্দীন। তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

কৃষক মোতালেব হোসেন আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছেন না। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. একাব্বর হোসেনের ছেলে মো. ফজল হক (সুমন)-এর সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি, ফলে তার কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার ছোট ভাই অভিযুক্ত মোঃ হালিম মোবাইল ফোনে জানান, ‘জমি নিয়ে কিছু দ্বন্দ্ব হয়েছে, তবে আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি সরকারি খাস চরের জমি। সেখানে কী হয়েছে, তা সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ওসি’র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


More News Of This Category