• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তথ্য পাচারের সন্দেহে ডিএমপির ৫০টি থানার রাইটারদের গণবদলি টাঙ্গাইলে সরকারি শিশু পরিবারের ৮ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার মেধাবৃত্তি প্রদান কক্সবাজারের লিংক রোডে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি খুলনায় শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলার অভিযুক্ত রিফাত পিরোজপুর থেকে গ্রেপ্তার ডোমারের চিলাহাটিতে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেফতার ডোমারে চাঞ্চল্যকর একরামুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়ানুর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার ডোমারে স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ রংপুরে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৫ ওজনে কম ও বেশি দামে পণ্য বিক্রির দায়ে রংপুরে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বীরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

কাহারোলে পুনর্ভবা নদীর মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ ( দিনাজপুর )
সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ-কাহারোল সীমান্তবর্তী কাঁঠালবাড়ি এলাকায় পুনর্ভবা নদী থেকে অবৈধভাবে সরকারি মাটি ও বালু কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি সিন্ডিকেট গত প্রায় ৪০ দিন ধরে লাখ লাখ ঘনফুট মাটি ও বালু বিক্রি করে আসছে, যা দিয়ে একটি নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজ ভরাট করা হচ্ছে।

গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বলেয়া বাজার ব্রিজের কাছে সুমাইয়া ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুকের প্রতিনিধি নয়ন রায় একটি খননযন্ত্র (ভেকু) ব্যবহার করে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বালু ও মাটি বিক্রি করছেন। প্রতিটি ট্রাক্টরের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে।

এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও ট্রাক্টর চালকেরা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ট্রলি সরকারি মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এই পাচারকৃত সম্পদের বেশিরভাগই দলুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন একটি কোল্ড স্টোরেজ ভরাটের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

তবে নির্মাণাধীন দেওয়ানবাড়ি কোল্ড স্টোরেজের স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, তারা প্রতি ট্রলি মাটি ও বালু ৭০০ টাকা করে স্থানীয় লাবু ও আরিফের কাছ থেকে কিনেছেন। এগুলি বৈধ না অবৈধ, তা তাদের জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মূল অভিযুক্ত ওমর ফারুক জানান, তিনি একা নন, কাহারোল বিএনপির বড় বড় নেতারাও এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিলামে ২৮ নম্বর লট ইজারা নিয়েছিলেন, কিন্তু যথাসময়ে মাটি ও বালু অপসারণ করতে পারেননি। তাই এখন সবাই মিলেমিশে এই কাজ চালাচ্ছেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদনও করা আছে।

কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোখলেদা বেগম মিম বলেন, “আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”


এরকম আরও সংবাদ