• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত ডিমলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দ: এক বোতল তেল কিংবা রেজার নয়, প্রশ্ন সীমান্ত নিরাপত্তার জামালপুরে পৈতৃক ভিটা রক্ষা ও হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ডিমলা-নাউতারা সড়কে বেহাল দশা ও সীমাহীন দুর্ভোগ, দ্রুত সংস্কারের দাবি হাজারো মানুষের লালমনিরহাটে র‌্যাবের অভিযানে ৩৯৮ বোতল মাদকসহ গ্রেপ্তার ২ দক্ষিণ বেতগাড়ী বালাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইন্সট্রাক্টর এরশাদুল হক, শিক্ষার্থীদের পাঠ যাচাইয়ে সন্তোষ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে রংপুরের ক্যাফে গ্রিন ভ্যালি থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে আটক ৫ গঙ্গাচড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৪ গ্রাম পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত বীরগঞ্জের ৫ হিমাগারে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আদায়, ক্ষুব্ধ কৃষক ও ব্যবসায়ী নোয়াখালীতে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত হুজুরকে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিলেন জনতা

কাহারোলে পুনর্ভবা নদীর মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ ( দিনাজপুর )
সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ-কাহারোল সীমান্তবর্তী কাঁঠালবাড়ি এলাকায় পুনর্ভবা নদী থেকে অবৈধভাবে সরকারি মাটি ও বালু কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি সিন্ডিকেট গত প্রায় ৪০ দিন ধরে লাখ লাখ ঘনফুট মাটি ও বালু বিক্রি করে আসছে, যা দিয়ে একটি নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজ ভরাট করা হচ্ছে।

গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বলেয়া বাজার ব্রিজের কাছে সুমাইয়া ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুকের প্রতিনিধি নয়ন রায় একটি খননযন্ত্র (ভেকু) ব্যবহার করে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বালু ও মাটি বিক্রি করছেন। প্রতিটি ট্রাক্টরের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে।

এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও ট্রাক্টর চালকেরা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ট্রলি সরকারি মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এই পাচারকৃত সম্পদের বেশিরভাগই দলুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন একটি কোল্ড স্টোরেজ ভরাটের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

তবে নির্মাণাধীন দেওয়ানবাড়ি কোল্ড স্টোরেজের স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, তারা প্রতি ট্রলি মাটি ও বালু ৭০০ টাকা করে স্থানীয় লাবু ও আরিফের কাছ থেকে কিনেছেন। এগুলি বৈধ না অবৈধ, তা তাদের জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মূল অভিযুক্ত ওমর ফারুক জানান, তিনি একা নন, কাহারোল বিএনপির বড় বড় নেতারাও এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিলামে ২৮ নম্বর লট ইজারা নিয়েছিলেন, কিন্তু যথাসময়ে মাটি ও বালু অপসারণ করতে পারেননি। তাই এখন সবাই মিলেমিশে এই কাজ চালাচ্ছেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদনও করা আছে।

কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোখলেদা বেগম মিম বলেন, “আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”


এরকম আরও সংবাদ