• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বীরগঞ্জে আখ ক্ষেতে জুয়ার আসর থেকে ২ জন আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও কারাদণ্ড অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মুখে নীলফামারীতে অপসারিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ১৪ গ্রাম হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দল নয়, মানুষই আমার প্রতীক: দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রার্থী ফরিদ সরকার বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাস্টমস গোয়েন্দার অভিযান: যাত্রীর শরীরে মিলল ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার স্বর্ণ শার্শার রুদ্রপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৫৫০ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার খগাখড়িবাড়ীর রাজনীতিতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন এবং স্থানীয়দের মূল্যায়নের বিশ্লেষণ বীরগঞ্জে টিএমএসএস করিমপুর ফাতেমাতুজ জোহরা হাসপাতালের সৌজন্যে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ লক্ষ্যমাত্রায় বেনাপোল পৌরসভায় বিএনপির উদ্যোগ নীলফামারী ও গাইবান্ধায় এসআরবি-১৩-এর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

কাহারোলে পুনর্ভবা নদীর মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ ( দিনাজপুর )
সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ-কাহারোল সীমান্তবর্তী কাঁঠালবাড়ি এলাকায় পুনর্ভবা নদী থেকে অবৈধভাবে সরকারি মাটি ও বালু কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি সিন্ডিকেট গত প্রায় ৪০ দিন ধরে লাখ লাখ ঘনফুট মাটি ও বালু বিক্রি করে আসছে, যা দিয়ে একটি নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজ ভরাট করা হচ্ছে।

গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বলেয়া বাজার ব্রিজের কাছে সুমাইয়া ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুকের প্রতিনিধি নয়ন রায় একটি খননযন্ত্র (ভেকু) ব্যবহার করে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বালু ও মাটি বিক্রি করছেন। প্রতিটি ট্রাক্টরের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে।

এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও ট্রাক্টর চালকেরা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ট্রলি সরকারি মাটি ও বালু অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এই পাচারকৃত সম্পদের বেশিরভাগই দলুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন একটি কোল্ড স্টোরেজ ভরাটের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

তবে নির্মাণাধীন দেওয়ানবাড়ি কোল্ড স্টোরেজের স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, তারা প্রতি ট্রলি মাটি ও বালু ৭০০ টাকা করে স্থানীয় লাবু ও আরিফের কাছ থেকে কিনেছেন। এগুলি বৈধ না অবৈধ, তা তাদের জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মূল অভিযুক্ত ওমর ফারুক জানান, তিনি একা নন, কাহারোল বিএনপির বড় বড় নেতারাও এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিলামে ২৮ নম্বর লট ইজারা নিয়েছিলেন, কিন্তু যথাসময়ে মাটি ও বালু অপসারণ করতে পারেননি। তাই এখন সবাই মিলেমিশে এই কাজ চালাচ্ছেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদনও করা আছে।

কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ মোখলেদা বেগম মিম বলেন, “আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”


এরকম আরও সংবাদ