• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে সরকারি শিশু পরিবারের ৮ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার মেধাবৃত্তি প্রদান কক্সবাজারের লিংক রোডে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি খুলনায় শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলার অভিযুক্ত রিফাত পিরোজপুর থেকে গ্রেপ্তার ডোমারের চিলাহাটিতে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেফতার ডোমারে চাঞ্চল্যকর একরামুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়ানুর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার ডোমারে স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ রংপুরে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৫ ওজনে কম ও বেশি দামে পণ্য বিক্রির দায়ে রংপুরে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বীরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত জামালপুরের রাণীগঞ্জে বসতঘর থেকে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

আশ্রয়নে ঘর না পেয়ে ঘুরে ফিরছে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর)
রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

গত ১৮ মে’২০২৫ বিকেলে বীরগঞ্জ প্রেসক্লাব হল রুমে পরিকল্পিত ভাবে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলাধীন পাল্টাপুর ইউনিয়নের ভোগডোমা আশ্রয়ন প্রকল্পের বসবাসকারী বাসিন্দা ও জমি মালিক মরহুম আবুল কালামের কন্যা নাজমা বেগম।

 

সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে জানান, নাজমা বেগমের পিতা আবুল কালাম আজাদ ওই আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৮৩৯/১৮৭০ দাগে বাস্তু ৮ শতাংশ এবং আবাদি ৩৮ শতাংশ মোট ৪৬ শতাংশ জমি, বিগত ১৬ এপ্রিল ২০০১ সালে সরকার কর্তৃক দলিল প্রাপ্ত হন। দলিল নম্বর ৩৫৮৭।

 

জমির মালিক ও পিতা মৃত্যুর পর থেকে নাজমা বেগম সেখানে পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিপূর্ণ বসবাস করে আসছেন। ব্র্যাক নম্বর ১৪ রুম নম্বর ৯।

 

কিন্তু সম্প্রতি ভূতপূর্ব ইউএনও ফজলে এলাহী টিনের ব্র্যাক গুলো ভেঙ্গে পাকা ঘর নির্মানকালে অতি সুক্ষ্ম কৌশলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার শহিদুল ইসলামের দ্বারা আমাকে অন্যত্র সরিয়ে রেখে মজিদের পুত্র তারা মিয়া কে নতুন নির্মিত পাকা ঘরে ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়।

 

আমি আমার বাবার দান কৃত জায়গা ও বাড়ি থেকে নিরাশ্রয় হয়ে অন্যের বাড়িতে সপরিবারে আশ্রিত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছি।

 

এ ঘটনায় ৮ মে’২৯২৫ তারিখে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং অফিসার ইনচার্জ বীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুড়ছি কিন্তু কোন সুরাহা পাচ্ছি না।

 

হতদরিদ্র নারী হিসেবে আমি প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহানুভূতি কামনা করছি। প্রচলিত আইন এবং হকদার হিসেবে আমার বসতবাড়ী, আবাদি জমি ফেরত দিতে সকলের সক্রিয় সহযোগিতা চাই।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী নাজমা বেগম, সে সময় সঙ্গে ছিলো তার স্বামী শুকুমদ্দিন, ছেলে আলমঙ্গীর ও জামাতা শাহ আলমসহ পরিবারের অন্যান্য লোকজন।


এরকম আরও সংবাদ