• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত ডিমলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দ: এক বোতল তেল কিংবা রেজার নয়, প্রশ্ন সীমান্ত নিরাপত্তার জামালপুরে পৈতৃক ভিটা রক্ষা ও হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ডিমলা-নাউতারা সড়কে বেহাল দশা ও সীমাহীন দুর্ভোগ, দ্রুত সংস্কারের দাবি হাজারো মানুষের লালমনিরহাটে র‌্যাবের অভিযানে ৩৯৮ বোতল মাদকসহ গ্রেপ্তার ২ দক্ষিণ বেতগাড়ী বালাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইন্সট্রাক্টর এরশাদুল হক, শিক্ষার্থীদের পাঠ যাচাইয়ে সন্তোষ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে রংপুরের ক্যাফে গ্রিন ভ্যালি থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে আটক ৫ গঙ্গাচড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৪ গ্রাম পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত বীরগঞ্জের ৫ হিমাগারে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আদায়, ক্ষুব্ধ কৃষক ও ব্যবসায়ী নোয়াখালীতে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত হুজুরকে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিলেন জনতা

দুই বছরে রংপুরে ৪ জেলা প্রশাসক বদলি, ক্ষোভ-অসন্তোষ

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম), রংপুর
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মাত্র দুই বছরে রংপুরে চার জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সময়ে চারজন নতুন জেলা প্রশাসককে পদায়ন করা হয়। এর মধ্যে মোহাম্মদ এনামুল আহসান ও মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাত্র চার মাসের কিছু বেশি সময় দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার জেলা প্রশাসক পরিবর্তনের ঘটনায় রংপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাস ১৩ দিনের মাথায় মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার ঘটনায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন অনেকে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানকে ২০ আগস্ট প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালকে রংপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এরপর প্রায় এক বছর দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালকে প্রত্যাহার করে ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর মোহাম্মদ এনামুল আহসানকে জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাস ২০ দিনের মাথায় তাকেও পরিবর্তন করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে রংপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনিও মাত্র চার মাস ১৩ দিন দায়িত্ব পালনের পর প্রত্যাহারের শিকার হন। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে মোহাম্মদ রুহুল আমিনের স্থলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিজ ইশরাত জাহানকে রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। ১৯ আগস্ট জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ পদে পদায়ন করা হয়। তিনি আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

বারবার জেলা প্রশাসক পরিবর্তনের ফলে প্রশাসনের ধারাবাহিকতা ও জেলার উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, একজন জেলা প্রশাসককে দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে ঘন ঘন পরিবর্তন করা হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

স্থানীয়দের দাবি, রংপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগের প্রধান জেলায় জেলা প্রশাসক নিয়োগ ও প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে আরও স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।


এরকম আরও সংবাদ