• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত ডিমলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দ: এক বোতল তেল কিংবা রেজার নয়, প্রশ্ন সীমান্ত নিরাপত্তার জামালপুরে পৈতৃক ভিটা রক্ষা ও হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ডিমলা-নাউতারা সড়কে বেহাল দশা ও সীমাহীন দুর্ভোগ, দ্রুত সংস্কারের দাবি হাজারো মানুষের লালমনিরহাটে র‌্যাবের অভিযানে ৩৯৮ বোতল মাদকসহ গ্রেপ্তার ২ দক্ষিণ বেতগাড়ী বালাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইন্সট্রাক্টর এরশাদুল হক, শিক্ষার্থীদের পাঠ যাচাইয়ে সন্তোষ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে রংপুরের ক্যাফে গ্রিন ভ্যালি থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে আটক ৫ গঙ্গাচড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৪ গ্রাম পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত বীরগঞ্জের ৫ হিমাগারে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আদায়, ক্ষুব্ধ কৃষক ও ব্যবসায়ী নোয়াখালীতে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত হুজুরকে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিলেন জনতা

গঙ্গাচড়ায় নির্জন স্থান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, নেপথ্যে অজানা কারণ

রফিকুল ইসলাম সাবুল, সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম), রংপুর
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মো. মুখলেসুর রহমান নামে ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত পৌনে বারোটার দিকে উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের শান্তিপাড়া এলাকার কাউয়াফান্দা নামক একটি নির্জন স্থান থেকে নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

 

নিহত মুখলেসুর রহমান উপজেলার নবনীদাস এলাকার মৃত হামিদুর রহমানের ছেলে। দীর্ঘদিনের জানাশোনা এমন একজন প্রবীণ মানুষের এমন আকস্মিক ও নৃশংস পরিণতিতে স্থানীয় অধিবাসীদের মনে বিরাজ করছে অজানা আতঙ্ক।

 

এলাকাবাসীর বরাতে জানা যায়, শুক্রবার রাতের আঁধারে কাউয়াফান্দা এলাকার নির্জন স্থানে মুখলেসুর রহমানের ক্ষতবিক্ষত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পথচারী ও স্থানীয়রা। কাছে গিয়ে তার গলায় গভীর ক্ষত দেখতে পেয়ে উপস্থিত সকলে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি অনুধাবন করে তারা অবিলম্বে গঙ্গাচড়া থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আলামত সংগ্রহ শেষে মরদেহ উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

 

তবে ঠিক কী কারণে, কীভাবে এবং কারা এই প্রবীণ মানুষটির ওপর এমন নির্মমতা চালাল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জনমানবহীন স্থানে এমন ঘটনা ঘটায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মনে দানা বাঁধছে নানা প্রশ্ন। আকস্মিক এই ঘটনায় শান্তিপাড়া ও আশপাশের গ্রামগুলোতে নেমে এসেছে শোক ও থমথমে পরিবেশ।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মরদেহ উদ্ধারের পর নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কারা এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বা এর নেপথ্যে কোনো শত্রুতা কিংবা উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

 

এদিকে শান্তিপাড়া ও কাউয়াফান্দা এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। রাতের নির্জনতাকে কাজে লাগিয়ে এভাবে মানুষ হত্যার ঘটনায় তারা নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন এমন নির্মমতার শিকার না হন, সে কথা উল্লেখ করে স্থানীয়রা অনতিবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


এরকম আরও সংবাদ